ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

গতকাল প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট ও ফেনীতে পাহাড় ধসে ও মাটি চাপা পড়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৯০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, চট্টগ্রামের বিমান রেল সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে শিশুদের মারাত্বক পানিবাহী রোগ সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। ২ লাখ মানুষ সিলেটে পানিবন্দী হয়ে আছে। উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটের চার উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। সেখানকার বেশীরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। সিলেট মেয়রের বাড়িতেও হাটু সমান পানি উঠেছে। অনুরুপ ঘটনা ঘটেছে ফেনী জেলাতে অতি বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত ও ৩০ হাজার মানুষ পানি বন্দী। আর চট্টগ্রামের বাঁশখালী শিলকুপ ইউনিয়নে ইকোপার্ক সড়ক এলাকায় পাহাড় ধসে ১ পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আহত হয়েছে অর্ধ শতাধিক। কক্সবাজারেও পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু এবং মাটি চাপায় ৪ জনের মৃত্যু। বান্দরবানে ১১ জনের মৃত্যু সিলেটে ২ জনের বাকী সব চট্টগ্রামের। এর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে। এখনই রাষ্ট্রের পাশাপশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, রেডক্রিসেন্ট সহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দদের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ান উচিত। আর যারা টিপাইমুখ বাধের পক্ষে রয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে এ কথাটিই শুধু বলব ভারত বর্ষার সময় গেট খুলে আমাদেও পানিতে ডুবিয়ে মারতে চায় আর শুস্ক মৌসুমে গেট বন্ধ করে আমাদের মরুপ্রান্তর করতে চায়। যার জলন্ত উদাহারন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, ফেনী ও সিলেট।