ক্যাটেগরিঃ শিল্প-সংস্কৃতি

 

জীবন্ত কিংবদন্তী, আমাদের প্রিয় মরমী শিল্পী আবদুল লতিফ গুরুতর অসুস্থ। তিনি সুনামগঞ্জ দক্ষিণ আরফিননগরে তার নিজ বাসভবনে খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পাকস্থলিতে ঘাসহ নানা সমস্যা, ডায়রিয়াজনিত শারীরিক দুর্বলতা এবং সর্বোপরি মৃত্যুভয়ে আতঙ্কিত থাকেন তিনি। যে কারণে মানসিক ও শারীরিকভাবে তিনি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, ঘর থেকে বের হতে পারেন না। এমতাবস্থায় তার স্ত্রী, সন্তানসহ পুরো পরিবার এখন বিপদগ্রস্ত। মারাত্মক আর্থিক সমস্যায় ভুগছেন এ শিল্পী। হাছন রাজার গান মূল সুরে এখনও যারা গেয়ে চলেছেন তাদের মধ্যে আবদুল লতিফ অন্যতম। তিনি নিজেও মরমী গান লিখতেন। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় হাজারখানেক মরমী গান লিখেছেন, যা সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে মরমীপ্রিয় শিল্পীদের কাছে পেয়েছে ব্যাপক শ্রোতাপ্রিয়তা। ২০০৯ সালে বাজারে আসে তারই লেখা গানের বই ‘লতিফগীতি’। সুনামগঞ্জ তথা বাংলাদেশে লতিফগীতির প্রবর্তক তিনি। উল্লেখ্য, হাছন রাজার এমন প্রায় ৭০/৮০টি গান আছে যার সুর করেছেন আবদুল লতিফ নিজে। বয়স এখন তার ৭২। এ বয়সেও চেষ্টা করছেন মরমী গানকে নিজের মাঝে লালন করে এদেশের সংস্কৃতিতে তা বিলিয়ে দিতে। কিন্তু গুণী এই মরমী শিল্পী আজ গুরুতর অসুস্থ হয়ে সাহায্যের জন্য সবার কাছে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা : আবদুল লতিফ, একাউন্ট নম্বর : ০০২১৩৯০৯২, জনতা ব্যাংক, সুনামগঞ্জ শাখা। ( সূত্রঃ দৈনিক মানব জমিন )

আসুন আমাদের এই অতি প্রিয় মানুষটির পাশে যার যতটুকু সমর্থ রয়েছে, সে টুকুর একটি ক্ষুদ্র অংশ তার চিকিৎসার জন্য তার একাউন্টে নিজ উদ্যোগে জমা করি।

এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও সীমান্তের উপর থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সুনাম গঞ্জের সুরমা নদীর পানী বিপদ সীমার ৭১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারনে অসুস্থ এই মানুষটি এখন পানি বন্দী হয়ে চরম বিপর্যয় ও মানবেতর জীবন যাপন করছে।

মানুষ মানুয়ের জন্য
জীবন জীবনের জন্য..
একটু সহানুভূতি কি
মানুষ পেতে পারে না????