ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশীয় অর্থে পদ্মা সেতু র্নিমানের যে ঘোষনা দিয়েছেন, সেই ঐতিহাসিক ঘোষনাকে স্বাগত জানাই। তিনি ইতি মধ্যে মোবাইল ও ই-মেইলের মাধ্যমে ১৬ কোটি মানুষের কাছ থেকে আশ্বস্ত হয়েছেন পদ্মা সেতু র্নিমানে সকলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।

অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছেন, প্রতিটি মোবাইল কল থেকে ২৫ পয়সা সার চার্জ কেটে নেয়ার। সরকারী দলের উপনেতা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন পদ্মা সেতু নির্মানে ছাত্র লীগের ভূমিকা থাকবে।

এছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রীরাও দেশীয় অর্থে পদ্মা সেতু করার জন্যে বদ্ধ পরিকর। যদি পদ্মা সেতু নির্মান করতে ১দিনের বাজারের টাকা বাচিয়ে কিংবা ১ বেলা টিফিনের টাকা বাচিয়ে সরকারকে দেয়া হত আর অর্থ দিয়ে পদ্মা সেতু নির্মান করা যেত, তা হলে কোন চিন্তাই থাকতো না। টাকার অংকটা যেহেতু বেশী তাই টাকা উত্তোলনেরও কিছু ডিজিটাল পদ্ধতি বের করতে হবে।

ইতিমধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ ঘোষনা দিয়েছেন তাদের ১ মাসের বেতনের সমস্ত টাকা পদ্মা সেতু নির্মানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে চেক হস্তান্তর করবেন। এভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তি পধানমন্ত্রীর কাছে ছুটে আসবেন। কিন্তু সমস্যা হয়েছে কৃষক, শ্রমিক, রিক্সাওয়ালা, ভ্যান ওয়ালা, কুলি, দিনমজুর এমনকি বিক্ষুক ও পদ্মা সেতু নির্মানে সহযোগীতার হাত বাড়াতে চায়। তাদের সমর্থ নেই গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে টাকা দেওয়ার।

তাদের কথা চিন্তা করেই আমার এই প্রস্তাবনা। আপনারা দেখেছেন, বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, থানা, বাজার, বাস ষ্ট্যান্ড, রেল ষ্টেশন, লঞ্চ ঘাট, সহ এমন কোন যায়গা নেই যে খানে মির্জাগঞ্জ ইয়ার উদ্দীন খলিফার দান বাক্স দেখা যায় না। যার যতটুকু সমর্থ আছে সে তার সমর্থ অনুযায়ী ঐ দানবাক্সে দান করে এবং সেই দানের টাকা দিয়ে হাজার হাজার মানুষ বছরের পর বছর খেয়ে-দেয়ে বেচে আছে।

ইয়ারউদ্দীন খলিফার দানবাক্সকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করে পদ্মা সেতু দানবাক্স প্রতিটি জেলা, উপজেলা, থানা, বাজার, বাস ষ্ট্যান্ড, রেল ষ্টেশন, লঞ্চ ঘাট, সহ গুরুত্বপূর্ণ যায়গায় যদি বসানো যায় তবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মান করতে অর্থের আর কোন অসুবিধা হবে না।

বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে ভেবে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি।