ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

সারাবিশ্বে প্রতিহিংসার রাজনীতি নগ্নভাবে প্রদর্শিত না হলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার নগ্নভাবে প্রতিপক্ষ হচ্ছে। বর্তমানে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে শুরু হয়েছে তাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি। জিয়া পরিবারের ৪০ বছরের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ীতে নির্দয়ভাবে এক কাপড়ে বের হতে বাধ্য হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বর্তমানে ঢাকা সেনা সদরের মইনুল রোডে, সেই ঐতিহ্যবাড়ীর কোন নিশানা চিহ্নটুকু নেই। জিয়া আন্তজার্তিক বিমান বন্দর কে বদলে দিয়ে বানানো হয়েছে শাহজালাল (রাহঃ) আন্তজার্তিক বিমান বন্দর। বরিশাল শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়কে বদলে দিয়ে করা হয়েছে বরিশাল বিশ্ব বিদ্যালয়।

ইতিহাস থেকে শহীদ জিয়ার বীরত্বের কথা মুছে ফেলার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে মনগড়া ইতিহাস। মহামান্য হাইকোর্টকে ব্যবহার করে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াকে বদলে ফেলে সেখানে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ জিয়াউর রহমানকে নিজে বীর উত্তম উপাধির খেতাব না দিলে হয়ত এতদিন এই উপাধিটি কেড়ে নেওয়া হতো। প্রতিহিংসার রাজনীতির সর্বশেষ শিকার হয়েছে ঢাকা শহর রক্ষা বাঁধ সংলগ্ন রায়ের বাজারে ২০০২ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকার ‘‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কলেজ’’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং একতলা বিশিষ্ট একটি ভবন ও নির্মাণ করা হয়। জোট সরকার ক্ষমতা ছেড়ে যেতে না যেতে কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘‘রায়ের বাজার মুক্তিযোদ্ধা কলেজ’’ বর্তমানে সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় মোহাম্মদপুর –আগারগাঁও শের -এ বাংলা নগর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাদেক খান এর ইন্ধন ও নেতৃত্বে বর্তমানে কলেজ প্রাঙ্গনে রিকসা গ্যারেজ ও তাদের আবাসস্থলে পরিনত হয়েছে। এভাবে আর কতদিন চলবে প্রতিহিংসার রাজনীতি । প্রতিহিংসার নোংরা রাজনীতি থেকে বের হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।