ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রবীন ব্যক্তিত্ব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বস্ত্রমন্ত্রী আবদুল মতিন চৌধুরী দীর্ঘদিন অসুস্থা থাকা অবস্থায সিদ্ধেশ্বরীস্থ মনোয়ারা জেনারেল হাসপাতালে ০৪ আগষ্ট সকাল ১০ টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাল্লিল্লাহি রাজিউন)।

তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শোনার সাথে সাথে দেশজুড়ে জাতীয়তাবাদী নেতা কর্মীরা শোকে ভেঙ্গেপড়ে। বিকাল ৩টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে মরহুমকে দলের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং মরহুমের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও সদস্য প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সাবেক বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মতিন চৌধুরীর বাসায় গিয়েছিলেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মতিন চৌধুরীর ৬৩/বি সিদ্ধেশ্বরীর বাসায় যান খালেদা জিয়া। মিনিট পনেরো সময় সেখানে অবস্থান করেন তিনি। এক পর্যায়ে বারডেমের মরচুয়ারি থেকে মতিন চৌধুরীর লাশ এনে খালেদা জিয়াকে দেখানো হয়।

এ সময় মরহুমের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনদের সমবেদনা জানান খালেদা জিয়া। মরহুমের রুহের মাগফিরাতও কামনা করেন তিনি।

রোববার বিকেলে গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়াতে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

মরহুমের মৃত্যুতে জাতীয় রাজনীতিতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হল তা সহজে পুরনীয় নয়। তৎকালীন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা ও অবদান জাতি আজও গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে।

আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি, মহান আল্লাহ তায়লা তাকে যেন জান্নাত দান করেন।