ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

ঢাকা-খুলনা- বরিশালের অন্যতম নদীবন্দর মাওয়া নদীবন্দর থেকে ঘুরে এসে জানা যায় যে, মাওয়া-টু-কাওরাকান্দি স্পীড বোটের ভাড়া ১২০ টাকা সাইনবোর্ডে ঝুলিয়ে রাখলেও মাসের পর মাস সাধারণ যাত্রীর কাছ থেকে ১৪০টাকা আদায় করছে এবং মাওয়া কাওয়াকান্দি আন্তঃজেলা খেয়াঘাটের পাড়াপাড়ের ভাড়া ৩টাকা হলেও ১০টাকা করে আদায় করে নিচ্ছে। সন্ধ্যার পর লঞ্চের ভাড়া ৩০টাকা ও ঘাটের ভাড়া ১০টাকা আদায় না করে প্যাকেজ ৫০টাকা আদায় করছে। এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীর কাছ থেকে অবৈধ পথে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দুই পারের বর্তমান সরকারের সিন্ডিকেড সদস্যরা। সম্প্রতি নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছিলেন ঘাটে কোন ইজারা নেই, কিন্তু বাস্তবে তার সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ২০ফেব্র“য়ারী সকাল ১১টায় এক যাত্রী প্রতিবাদ করায় তাকে তারা লাঞ্চিত করেছে। সন্ধ্যার পর জরুরী প্রয়োজনে স্পিডবোটে কেউ পার হলে সেখান থেকেও ভয়াবহ খবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। অনেকেই স্পিড বোটের যাত্রীদেরকে জিম্মি করে তাদের কাছে গোচ্ছিত থাকা নগদ অর্থ, মোবাইল ও মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নিয়ে বিভিন্ন চরে নামিয়ে দিয়ে তারা আবার নদীতে হারিয়ে যাচ্ছে। অসহায় যাত্রীরা নিদারুন হয়রানীর শিকার হয়ে কঠিন ভোগান্তিতে ভুগছে। এছাড়াও মাঝে মধ্যে বিভিন্ন চরে বিচ্ছিন্ন ভাবে অজ্ঞাত লাশ ভেসে উঠছে। এতে অনেকেই অনুমান করছে যারা এই ধরনের অনৈতিক কাজ করছে তাদের কাজে যারা বাধাগ্রস্থ হয়ে দাঁড়ায় তাদেরকে মেরে ফেলতেও দ্বিধা করছে না। অথচ এ বিষয়ে প্রশাসনের কোন উদ্যেগ বা ভূমিকা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সাধারণ যাত্রীরা এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেছেন আমরা স্বাভাবিক ভাবে যাতায়াত করতে চাই, হয়রানী মুক্ত, বিপদ মুক্ত স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই। আর যারা অনৈতিক ভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার আহ্বান জানান।