ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

জামায়াত শিবির করলেই কি পুলিশ মানুষকে বুট দিয়ে পিষে মারবে ? এটা কি কোনো সভ্য দেশের পুলিশের আচরণ হতে পারে ? এরশাদ আমলের স্বৈরাচারী আমলেও এসব হয়নি। তখন সংবাদপেত্রর স্বাধীনতা ছিলনা কিন্তু সকলেই রাজনীতি করতে পারেতন। আর আজ ! জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের সময় এসব আচরণ দেখে খুব লজ্জা বোধ করছি। বেদনা বোধ করছি।

সরকার এভাবে পুলিশকে কেন ব্যবহার করছে। এই সরকারতো এ যাবতকালে সবচেয়ে বেশি ভোটে নির্বাচিত। এমনকি উইকিলিকসের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে নিরেপক্ষ নির্বাচনে জয়ী এই সরকার। এতো জনপ্রিয়তা সত্বেও কেন সরকার পুলিশ ব্যবহার করছে।

সরকারতো রাজনৈতিক ব্যাপারটা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে পারে। ঢাকায় জামায়াত-শিবিরের কর্মী আছে, আওয়ামী লীগের নেই ? নিশ্চয়ই আছে। ওদের চেয়ে অনেক বেশি আছে। জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচীর মোকাবেলায় কি সরকার আরো জনিপ্রয় কর্মসূচী দিয়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে পারেনা ? আমিতো মনে করি অবশ্যই পারে এবং সরকারের উচিত সেভাবেই এগিয়ে যাওয়া।

পিকেটারকে বুটের নিচে পিষ্ট করে পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। এই পুলিশের বিচার করে শাস্তি দেয়া উচিত। আর সরকারের মনে রাখা উচিত অল্প কিছু স্বাধীনতা বিরোধি নতুন প্রজম্নের শিবিরের
তরুণ-যুবকদের নিয়ে মাঠে নামলেই জনগণ এদের স্স্বাদরে গ্রহণ করে নেবেনা। জনগণ জামায়াতকে কখনোই মেনে নেবেনা। জনগণ এদের প্রত্যাখ্যান করবেই।

অতএব পুলিশ দিয়ে এদের নিয়ন্ত্রণ করে এভাবে বুটের নিচে পিষ্ট করে বদনাম কুড়ানোর প্রয়োজন নেই। সরকারের উচিত রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। রাজনৈতিক কর্মসূচী রাজনীতি দিয়েই মোকাবিলা করা।