ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক আজ ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিসনের একটি টক শোতে বললেন যে যারা প্রকৃত মেধাবী তারা নাকি দশ বার পরীক্ষা দিলেও চান্স পাবেন। ‘গ’ ইউনিটের আসন ৯৭৫ এর মত। তার অর্থ প্রতি বছর শুধুমাত্র ৯৭৫ জন যোগ্য শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে উঠে আসে, আর তারা যতবার পরীক্ষা দিক শুধু তারাই সুযোগ পাবে ভর্তির। আর বাকিরা যোগ্য না। আমি বলব যে অনেক যোগ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে যারা একটু ভাগ্যবান তারাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চান্স পায়। আমি যদি একই প্রশ্নে আবার ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা নেই এবং একই ভুল উত্তরপত্র দিয়ে তাদের খাতা দেখা হয়, তারা সবাই আগের সমান নাম্বারও পাবেন না এবং মেরিট পজিশনও একই থাকবে না। বাজি ধরবেন? আবার এমন ও হতে পারে যে তাদের অনেকেই আবার চান্সই পাবেন না। এর কারণ হল ভর্তি পরীক্ষা হল ওয়ান ডে ক্রিকেট ম্যাচ, যেখানে কোন আন্দাজ চলে না। যেটা আমরা জানি কিন্তু আমাদের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক জানেন না।

আপনারা যদি টক শো টি দেখেন সেটাকে নাটক, না বলে পারবেন না। মাঝেমাঝে এমনও মনে হতে পারে সবই তাদের সাফাই গাওয়ার জন্যে সাজানো । ঐ টক শো তে সেকন্ড বার কেন পুনর্মূল্যায়ন করা হল এবং তার উত্তর যা দেওয়া হল তাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। যাই হোক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সচ্ছতা নিয়ে খুবই তত্‍পর, বিষয়টা এমন যে তাদের ভুল বার বার হতে পারে তার জন্যে যে কেউ বিপদে পড়ুক সেটা বেপার না। আমার প্রশ্ন “আপনার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রক্রিয়াটা কতটা সচ্ছ ছিল আর যে ভর্তি কমিটি দুই দুই বার ভুল করে তারা কতটা যোগ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক হিসেবে ? “