ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

বর্তমানে যারা যাত্রাবাড়ী, জুরাইন, পোস্তগোলা, শনির আখরা, রায়েরবাগ থাকেন তারা প্রতিদিনই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন একটি ফ্লাই ব্রিজ তাদের জীবনে কি নিদারুন কষ্ট বয়ে নিয়ে এসেছে। প্রথম অবস্থায় সবাই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিল। তবে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারনে এখন চোখের সামনে উন্নয়ন দেখে মানুষের মন ভরছে না । মতিঝিল , গুলিস্তান থেকে যাত্রাবাড়ী উদ্দেশে যত গাড়ী যায় তাদের পনের মিনিটের রাস্তা যেতে প্রায় দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় লাগে। গাড়ীর মধ্যে অনেক নারী , শিশু , বৃদ্ধরা থাকে তারা ইচ্ছা করলেই হেটে যেতে পারে না । প্রতিদিন বহু মানুষ ইত্তেফাক মোর, টিকাটুলি, রাজধানী সুপার মার্কেটে নেমে হাটা শুরু করে আবার কিছু মানুষ মানিক নগর, গোলাপবাগ মাঠ থেকে হাটা শুরু করে। যারা চিটাগাং রোড ব্যবহার করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা যায় তাদের সায়েদাবাদ থেকে কাচপুর যেতে কোন কেনা সময় চার ঘন্টা লেগে যায়। ইদানিং এই সংকট আরা বেড়েছে। রাজধানী মার্কেট এবং দয়াগঞ্জ রাস্তার সংযোগ স্থলে একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে যায় । গত এক সপ্তাহে কত সি এন জি এবং গাড়ী নষ্ট হয়েছ তা বলা যাবে না । যে কোন সময় বড় গড়ী উল্টে যেতে পারে তাতে বহু হতাহত হবে। এই রাস্তা দিয়ে মালঞ্চ , মোঃ সুপার , রংধনু , বোরাক , আনন্দ সহ প্রতিদিন হাজার হাজার গড়ী চলে । যে কোন মূহর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে । ইদানিং টিকাটুলি থেকে রাজধানীর মধ্যে দিয়ে কিছু গাড়ী ছাড়ার জন্য যানজট বেশী হচ্ছে । এরফলে একদিকের গাড়ী চলাচল বন্ধ হয়ে যায় তাই অন্য দিকে যানযট লেগে যায়। আগে এই রাস্তাটি একমুখী ছিল। সামান্য কিছু মানুষের সুবিধার জন্য এটা না করে এই রাস্তাটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে যদি একমুখী গাড়ী চলার ব্যবস্থা করা হয় তাহলে যানজট কিছুটা কমতে পারে।

এছাড়া খুব দ্রুত ভাঙ্গা রাস্তা ঠিক করতে হবে । সামনে রোজা তাই রোজার আগেই মানুষের ভোগান্তি দূর করতে চাইলে এই সড়ককে যান চলাচলের উপযোগী করতে হবে । ভাঙ্গা রাস্তা যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করতে হবে । এর আগে পানির জন্য এই এলাকার মানুষ ফুসে উঠেছিল এবার হয়ত নিরাপদ যাতায়াতের জন্য মানুষ ফুসে ঊঠবে তাই সবাইকে বিশেষ করে কর্তৃপক্ষকে এই সড়কের প্রতি বিশেষ নজর দেয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।