ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

এর আগে পদ্মা সেতু নিয়ে আমার একটা লেখা প্রকাশিত হয়েছিল যার শিরোনাম ছিল পদ্মা সেতু নিয়ে কথার ফুলঝুড়ি শুনতে চাই না কাজ দেখতে চাই। সেই কাজ আর দেখা হল না । এখন শুধু কথার ফুলঝুড়ি নয় তার সাথে যোগ হয়েছে চাঁদাবাজি। এর মধ্যে চাঁদাবাজিতে একজন নিহত হয়েছে । অনেকেই চাদা দিতে চাচ্ছে । আমাদের দেশ দরদী সরকার চাদা আদায়ের জন্য দুইটা ব্যাংক একাউন্ট খোলার ঘোষনা দিয়েছে। সরকারী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন পেশার জনগন তাদের বেতন , ভাতা পদ্মা সেতুর জন্য দিতে চাচ্ছে । স্কুলের ছেলে মেয়েরা তাদের টিফিনের টাকা দিতে চাচ্ছে। একটি সরকার কত বেশরম হলে এই রকম ভাবে সাধারন মানুষের কাছে টাকা চাইতে পারে। বিশ্ব ব্যাংক যখন দূর্নীতির কারনে মুখ ফিরিয়ে নিল তখনই শুরু হল এই নতুন খেলা অথচ যাদের জন্য পদ্মা সেতু আজ হচ্ছে না তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না । আমি যে আমার কষ্টের টাকা দেব তার কি সঠিক ব্যবহার হবে । আমার এই টাকা যে চোরের দল খেয়ে ফেলবে না তার কি গ্যারান্টি আছে । তাই বলছি ঐ সকল ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করুন যারা দেশে বিদেশে আমাদেরকে ছোট করেছে, নীচু করেছে । আর এ ভাবে চাদা দিয়ে পদ্মা সেতু সম্ভব নয় তা আমার মত সাধারন মানুষ বুঝতে পারে তবে কি আপনারা বুঝতে পারছেন না । না কি ব্যাংক দেউলিয়া করে , শেয়ার থেকে টাকা পাচার করে আপনাদের মন ভরছে না এখন কোমল মতি স্কুলের ছাত্রদের টাকা চুরির ইচ্ছা জাগছে । আগে নিজেদের সততা প্রমান করুন তারপর মানুষের কাছে সাহায্যে চান। প্রয়োজনে এ দেশের জনগন রক্ত বিক্রি করে টাকা দেবে যেমন রক্ত দিয়ে এ দেশ কে স্বাধীন করেছে তবে চোর বাটপারদের হাতে টাকা তুলে দেয়া কোন মতেই ঠিক হবে না । আমি কোন চোরের হাতে আমার কষ্টের টাকা তুলে দেব না যতক্ষন না আমাদের মাতৃভূমি এত বড় অপমান থেকে মুক্তি না পাবে ।