ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

গত সাত দিনে আমার কোন পোষ্ট যায়নি । এই সাত দিনে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটেছে আর সবচেয়ে হৃদয় বিদারক ঘটনা হল নক্ষত্রের পতন হয়েছে। আকাশের নক্ষত্র মাটিতে মিশে গেছে। সাত দিনের ঘটনা প্রবাহের আগে আমার ব্যাক্তিগত একটি বিষয় বলে নিচ্ছি আর তা হল আমার বড় ভাইয়ের বাইবাস সার্জারী হয়েছে স্কয়ার হাসপাতালে। গত ২১শে জুলাই হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ২৪ শে জুলাই তার বাইপাস সার্জারী হয়। এখনো আই সি ইউতে আছে তবে আপনাদের সবার দোয়ায় আস্তে আস্তে ভাল হয়ে উঠছে। নক্ষত্র পতনের পর থেকে তাকে নিয়ে তার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা হচ্ছে । সবাইকে বিনীত অনুরোধ তার ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে কেউ কথা বলবেন না । একজন মানুষ যখন মারা যায় তখন তিনি সব কিছুর উর্ধ্বে চলে যায়। আর আমাদের ধর্ম মতে মৃত মানুষ নিয়ে কোন সমালোচনা করা ঠিক নয় বরং আমরা তার জন্য দোয়া করতে পারি । ব্যাক্তি হুমায়ুনের ভাল মন্দ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা কম বেশী জানি । তাই নতুন করে আর কিছু জানতে চাই না ।

হুমায়ুন ছিল আকাশের নক্ষত্রের মত যাকে সাধারন মানুষ নক্ষত্র ভাবত। আরেক নক্ষত্রের পতন হল তবে তাকে নিয়ে কোন আলোচনা নেই । কারন তিনি মানুষের মনের নক্ষত্র নয় তিনি নিজেকে নিজে নক্ষত্র ভাবতেন। এক প্রকার জোর করেই আবুল নক্ষত্রের পতন হল। তবে এরি মধ্যে তার নেত্রী তাকে বিশ্ব দেশ প্রেমিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর আগে সুরঞ্জিত বাবুর কালো বিড়াল ধরা পরার পর তাকে দফতর বিহীন মন্ত্রী করা হয়েছে । লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বাবু এখনো আমাদের নছিহত করে যাচ্ছেন। জানিনা এই দেশের নেতা নেত্রীদের কবে লজ্জা শরম হবে । কিছু আঁতেল অর্থনীতিবিদ সরকারের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন পদ্মা সেতু একটা নয় বরং নিজেদের টাকা দিয়ে এরকম চারটা পদ্মা সেতু সম্ভব । তাহলে আবুল নক্ষত্রের বিদায় নিতে হল কেন। আর বিশ্ব ব্যাংকের কাছে যদি আমাদের কোন দায়বদ্ধতা না থাকে তাহলে এত আদরের আবুলকে কেন কোরবানি দিতে হল। এই সরকার কোন কিছুতেই কথা রাখতে পারছে না । এ দেশের বুদ্ধিজীবী, সুশীল ব্যাক্তি থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ অনেক আগে থেকই আবুল মার্কা মন্ত্রীদের বিদায় করতে বলেছিল সরকার সে কথা শুনেনি । এখন ঠেলায় পরে আবুলকে বিদায় করা হয়েছে এরপর একদিন এই সরকারকেই বিদায় নিতে হবে যদি না তারা অতিকথন না থামায় ।