ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বর্তমান সংবিধান থেকে তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা তুলে দেয়া হয়েছে তা বাসী খবর এখন নতুন খবর কি ভাবে কোন পদ্ধতিতে সামনের সাধারণ নির্বাচন হবে। বর্তমান সংবিধানে যে পদ্ধতি বহাল আছে তাতে সরকারী জোটভুক্ত দল ছাড়া অন্য কোন দল নির্বাচনে যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। দেশের সুশীল সমাজের একটা বিরাট অংশ চায় নির্বাচন যেন নিরপেক্ষ হয়। আর বাংলাদেশে কোন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন যে নিরপেক্ষ হবে না তা দলকানা ছাড়া যে কেউ স্বীকার করবে তা যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন। এখন প্রশ্ন হল প্রধান দুই দলের এই কঠোর অবস্থানের ফলে দেশ কি সংঘাতের দিকে যাচ্ছে না । আমরা সাধারন জনগন গত প্রায় বিশ বছর গনতন্ত্রের আবরনে মূলত দ্বিদলীয় শাসন দেখেছি। বাংলাদেশের রাজনীতির যে চরিত্র তাতে তৃতীয় কোন দল বা পক্ষের আর পাকাপোক্ত ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়। তাই মন্দের ভাল খুজতে গিয়ে প্রতিবারই বাংলাদেশের জনগন অধিক মন্দের হাতে গিয়ে পরে , সামনে হয়ত আরো খারাপ কোন কিছু আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। বর্তমান বাংলাদেশে যে সমস্যা তার প্রায় অর্ধেকের বেশী দূর করা সম্ভব যদি আমাদের প্রধান দুই নেত্রী একসাথে কাজ করে , এক সাথে উঠাবসা করে, একত্রে দেশের কথা চিন্তা করে তাহলেই আমাদের অনেক সমস্যা দূর করা সম্ভব । এখন যে প্রধান সমস্যা তা হল ত্বত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে সামনের নির্বাচন হবে না বর্তমান সংবিধান অনুসারে নির্দলীয় অর্ন্তরবর্তী সরকারের অধীনে হবে। এই নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম কম হয়নি , সামনে আবার কঠোর কর্মসূচী আসছে তাতে সমস্যার সমাধান হবে না । সমস্যার সমাধান করতে হলে দুই প্রধান নেত্রীকে সংলাপে বসতে হবে নিজেদের স্বার্থে নয় দেশের স্বার্থে আর যদি নিজেদের স্বার্থের কথা ভাবতে থাকেন তাহলে কোন সমস্যারই সমাধান হবে না বরং আবার ১/১১ বা তার চেয়ে বড় কোন ঘটনা ঘটতে পারে। তার জন্য আপনাদেরই বেশী প্রস্তুতি রাখতে হবে কারন ঝড়টাতো আপনাদের উপর দিয়েই প্রথম যাবে। আমরা সাধারন জনগন আপনাদের আর তাদের মাঝখানে চিরজীবন নিষ্পেষিত হতে থাকব তা ভেবে বসে থাকবেন না এমন একদিন আসবে যখন কোন নেতৃত্ব ছাড়াই সত্যিকারের জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে তখন সবাইকে জবাবদিহী করতে হবে কেউ ছাড়া পাবেন না তাই বিনীত অনুরোধ দয়াকরে দেশটাকে কেউ ধংসের দিকে নিবেন না , মহান আল্লাহ আপনাদের সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হবার তৌফিক দিন । আমি বড় দেশপ্রমিক তা মুখে নয় কাজের মাধ্যমে প্রমান করতে হবে দেশের প্রতিটা নাগরিককে ।