ক্যাটেগরিঃ ব্যক্তিত্ব, হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে

 

ভালবাসার সংজ্ঞা এইরকম হওয়া উচিত। হুমায়ূন স্যারের প্রতি ভালবাসা যেটা আপনারা (ব্লগার, পাঠক,সাংবাদিক) দেখিয়েছেন তা হুমায়ূন স্যার বেঁচে থাকলে অভিভূত হতেন নিশ্চয়।অনেক সময় হয়ত তিনি কেঁদে ফেলতেন তাদের ভালবাসায়।

অনেকের ভালবাসা দেকে হুমায়ূন স্যার তার কিছু বই তার নামে উৎসর্গ কিংবা তার পরবর্তী কোন গল্পের চরিত্রে স্থান দিতেন।

হুমায়ূন পরবর্তীতে সাংবাদিকদের যে ভূমিকা দেখেছি তা নিজের সম্মানটুকু নিয়ে বড় প্রশ্ন জাগে। মৃত্যুর পর হুমায়ূনকে নিয়ে অনেক খ্যাত পত্রিকা অপ্রকাশিত স্বাক্ষাতকার প্রচার করেছে। অনেকে হয়তো আরো বের করবে। কিন্তু এই সাক্ষাত্কারগুলো কি সত্যি হুমায়ূন আহমেদ কে নিয়ে নাকি পত্রিকার অতিরিক্ত সার্কুলেশনের পাঁয়তারা।

আমি গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিউজ পরেছি হুমায়ূন আহমেদ কে নিয়ে লেখা। সংবাদপত্রগুলো স্বাধীনতার নামে একেকটি লেখার উৎপাদন কারখানা তৈরি করে ফেলেছে। হুমায়ূন স্যার চলে গেছে গত ১৯ জুলাই। কিন্তু তার কিছু ভক্ত সাংবাদিকগদের কাছ থেকে সরেনি এখনো। তারা একের পর এক এপিসোড লেখেই চলছেন। প্রথমে শুরু করেছিল, হুমায়ূন মরার অন্তকাহিনী, শাওন আমেরিকায় কি করলো, চিকিৎসকদের ভুল আরো কতো কি। এরপর উনারা শুরু করেছেন গুলতেকিনকে নিয়ে। এটা তার অন্যায়, গুলতেকিন আসেনি? সাবাশ নারী লৌহমানবী, ….আর ব্লগে-ফেবুতে একই অবস্থা…মনে হচ্ছে এরাই কেবল ভক্ত। আমার মনে হয় এদের অবস্থা দেখলে হুমায়ূন স্যার বেঁচে থাকলেও অনেক কষ্ট পেতেন.।

একজন ব্যক্তি কেবল খারাপ ও ভাল দুটোই হতে পারে। কেউ যদি তার নৈতিকতার প্রশ্ন তোলেন তবে সেটা তার কেবল কুপমন্ডুকতার ফসল ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে না। তাকে নিয়ে কিছু বলা আমাদের সমীচিন নয়। বেচে থাকতে তারা কেন এই সমালোচনা করলেন না। আজ মৃত্যুর পর তার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন করা কি বিবেকবান?

অনেক হয়েছে প্লিজ এবার একটু নিশ্চুপ মারেন,,কোথায় কি হচ্ছে সবাই জানে। আর মিছেমিছি কয়েকটি তথ্যকে দীর্ঘায়িত করে সংবাদ পরিবেশন না করে জাতির কল্যাণকর কাজে হুমায়ূন স্যারের অবস্থাগুলো তুলে ধরুন।