ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

বছর জুড়ে আলোচনায় ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি জন্মের পর থেকে এই ধরনের সমস্যা বোধ করেননি। কিন্তু ২০১২ তে এসে টের পাইছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার রাতে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় ২৫ আগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু এই বন্ধে লাভ কার বেশি শিক্ষকদের নাকি ছাত্রদের? শরীফ এনামুল যে পথে হাটছে ঠিক কি সেই পথে আনোয়ার স্যারও হাটছে? আর যদি হেটে থাকে তবে তার জন্য তাদেরকে অনেক বড় মাসুল দিতে হবে। সামান্য একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালটির হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জীবন অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে তা মেনে নেওয়া বড় কষ্টকর। ছাত্রলীগের নেতাকে মারধর করা হয়েছে আর তাতেই সাধারন শিক্ষাথীরা ক্ষিপ্ত? এটা কি বিশ্বাসযোগ্য? যে বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবারও ক্লাস পরীক্ষা হয়েছে সেখানে রাত থেকেই এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে কার নির্দেশে? সিন্ডিকেট,ডিন নির্বাচন ছিল বলে কি এই হেতু? নাকি আনোয়ার হোসেনকে পদত্যাগে বাধ্য করানোর জন্য সেই আন্দোলন বেশি অপ-শিক্ষকদের দরুন। এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন যে জাবির ঘটনাগুলো থাকছে তুচ্ছ কিন্তু আন্দোলনে ভেসে দেওয়া হচ্ছে মিডিয়ায়। পক্ষপাতদুষ্ট একে অপরকে দুষছেন বেশ জুড়ালো ভাবে। জাবির ঘটনায় যে কারনে ঘটছে তার কয়েকটি পাঠকদের সামনে তুলে ধরছি—–

১.শরীফ এনামুলকে অপসারণ করে যারা ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল তাদের একাংশ মেনে নিলেও অপর অংশ বিভিণ্ন অজুহাতে আন্দোলন করে যাচ্ছে
২. শিক্ষক সমিতির কোন সমর্থন না থাকলেও বারবার আন্দোলন করেছে সেই নামধারী শিক্ষকরা যারা বিভিন্ন সময় নিজেদের জামায়াত-শিবিরের আত্মা মনে করতো
৩. মুষ্টিমেয় সাধারন শিক্ষার্থীও স্থানীয় কিছু ক্যাডার দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে গড়ে তোলা
৪.আনোয়ার হোসেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বলে জানি কিন্তু তাকে প্রগতিশীল ধারার শিক্ষকরা মেনে নিতে পারলেও এনামুল বিদ্রোহী শিক্ষকরা মেনে নিতে পারেনি।
৫. মিডিয়াকে মুষ্টিবদ্ধ করে আন্দোলন জোড়ালো করানো।

সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা নাকে এই দু’ শিক্ষক দল উন্মাদনায় মত্ত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জাবি অশান্ত হওয়ার পিছনে সেখানকার কিছু নামধারী প্রগতিশীল শিক্ষকরা আন্দোলনকে বারবার উস্কে দিচ্ছে বলে বেশ কিছু গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করছে। তবে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রলীগের ক্যাডার বাহিনী তান্ডবলীলা চালালেও মিডিয়াগুলোতে সাধারন শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে যা বস্তু নিষ্ঠ ও সততার সাংবাদিকতার পরিপন্থি।

আমরা আমজনতা এই বিষয়ে মাথা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করনি। কিন্তু পরিশেষে বিশ্ববিদ্যালয়টির অসহায়ত্ব দেখলে নিজেরদের অনেক ছোট মনে হচ্ছে। এরা শিক্ষক নাকি হায়েনা?