ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

যুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত, চারিদিকে যুদ্ধের দামামা বাজছে,যোদ্ধাদের মধ্যে এতদিনের ঘাম ঝরানোর পরিশ্রমের দ্বারা ঘড়া জয়ের আত্ববিশ্বাস‌,আগাম জয়ের চাপা একটা উল্লাস আর টিক তখন যুদ্ধেক্ষেএ থেকে রাজার সবকিছু ঘুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কাপুরষতা এবং পরাজয়ের ভয়ে মাঠে থাকার অক্ষমতার বাতা’ কি বহন করে না?তখন কি কোন অজুহাত দেখানোর থাকে?

থাকে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির একটি বৃহৎ দল তাই করেছে।হ্যা আমি বি এন পির কথা বলছি। বিএনপি ভোট শুরুর মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে শনিবার মধ্যরাতে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়।আপনারাই বলুন এটা কি বি এন পির কান্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় বহন করে না? যে কমী’ সমথ’কেরা আজ এতটা দিন থেকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছে নিজের দলের প্রাথী’র জন্য,যারা আজ উন্মুখ হয়ে ছিল তাদের প্রাথী’কে একটি ভোট দিবে বলে,তাদের কষ্টের কথা কি একবার ও ভেবে দেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া।সব প্রাথী’র সমথ’কেরা যেখানে নতুন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট দিতে উল্লাসের সাথে যাবে সেখানে তৈমুরের সমথ’কেরা দলের নিদে’শ মেনে ঘরে বসে থাকবে।দলীয় প্রাথী’ তৈমুর দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিলে ও কি এতদিন মাটে থেকে ভোটে অংশগ্রহন করতে না পারার হতাশা,ক্ষোভ কি তার মধ্যে ও কাজ করছে না?এটা অবশ্য হতে পারে তখন যদি তিনি তার জয়ের ব্যাপারে সামান্য হলেও আশাবাদী থাকতেন আর যদি আশাবাদী না থেকে থাকেন তাহলে হয়ত তিনি ও সমথ’কদের কথা চিন্তা না করে সিদ্ধ্যান্তটিকে স্বাগত জানিয়ে ঘুমিয়ে আছেন।

নিবা’চনের একদিন আগেও কি বিএনপি বলেছিল যে সেনামোতায়েন না হলে তারা নির্বাচনে যাবে না? আওয়ামী সমথ’ন ছাড়া আইভী একা লড়ার যে সাহসিকতা দেখাচ্ছেন সেখানে তৈমুরের সাথে ছিল পুরো বি এন পি দল। মাঠে থেকে তারা কি পারত না পরিস্তিতিটা পয’বেক্ষন করতে এবং তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে?তারা কি পারত না অন্তত ২৪ ঘন্টা আগে সিদ্ধ্যান্ত নিতে?তাহলে তো সমথ’কদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে শুনতে হত না যে আনারসে ভোট দেওয়ার কোন মূল্য নেই,ভোট না দিয়ে কেন্দ্র থেকে তাদের ফিরে যেতে হত না কারন মধ্যরাত পয’ন্ত নিশ্চয় সবাই জেগে ছিল না কারন কাল সকালে ভোট দিতে যেতে হবে।এটাই বাংলাদেশের রাজনীতিক দলগুলোর হাইকমান্ডের অবস্তা।পায়ের উপর পা তুলে যখন যেটা,যেরকম ইচ্ছা নিদে’শ দিবে কাউকে তোয়াক্কা না করে।

হামছে বড় কোন হে……………………………………………….