ক্যাটেগরিঃ সেলুলয়েড

 

১৭ নভেম্বর প্রথম আলোর আনন্দ পাতায় কালজয়ী অভিনেতা খলিলকে উদ্দেশ্য করে উপরোক্ত শিরোনামে জনপ্রিয় অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি একটি চিঠি লিখেছিলেন। এই চিঠিটা পড়ে আমার চোখের জল এসে পড়েছিল। চিঠিটার প্রতিটি লাইনে ছিল খলিলকে নিয়ে হূদয়স্পর্শী সব স্মৃতিকথা। এই পত্রটা পড়লে নিশ্চিত আপনাদের মন ও একবার হলে কেদে উঠবে। মনে হচ্ছিল আর একজন কাছের মানুষ আমাদেরকে দুঃখের সাগের ভাসিয়ে চলে যাচ্ছেন। আগে অনেক বাংলা ছবি দেখতাম যেখানে ছিল খলিলের শক্তিশালী পদার্পন। কখন ও বাবা কখনও ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করা খলিল আমার মনে নায়ক হিসেবেই অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। আসলে পুরাতন সবগুলো মানুষের জন্য কেন যেন আলাদা একটা টান কাজ করে যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তাদের কোন দুঃসংবাদ শুনলে আমার মনে প্রচন্ড ভয় কাজ করে এই না তাদের কাউকে হারিয়ে ফেলতে হয়।

হুমায়ুন ফরীদি যখন এই চিঠিটা লিখলেন তখন খ্যাতিমান এই অভিনেতা হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। ফরীদি সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন চিঠিটা খলিলের চোখে পড়তে পারে আবার না ও পারে। এখন তিনি অনেকটা সুস্থ, আশা করি তার চোখে এখন চিঠিটা অবশ্যই পড়বে আর তিনি বুঝতে পারবেন তার প্রতি ভক্তদের ভালবাসা কতটুকু। হয়ত এই ফিরে আসাটা ক্ষণস্থায়ী, একদিন ঠিকই আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাবেন কিন্তু উনাকে আর ও কয়েকটা দিন আমাদের মাঝে পেলে কি মন্দ হবে?