ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

ধূমপানের কুফল কতটুকু তা আমরা সবাই কমবেশি জানি।তাই আর কুফল নিয়ে বলছি না।আমার আব্বু দীঘদিন বাহিরে ছিলেন আর প্রচুর ধুমপান করাটা উনার অভ্যাসে পরিনত হয়ে পড়েছিল। আমরা সবাই মিলে অনেক চেষ্টা করে ও এই অভ্যাসটা ছাড়াতে পারছিলাম না।সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখা যেত কিছু খাওয়ার আগেই সিগারেট ধরিয়ে দিয়েছেন।তা নিয়ে আম্মুর কত রাগারাগি।আমি আমার ভাইয়া, আমার ছোট বোন সবাই মিলে কত কিছু করলাম না তা ও পারতেছিলাম না।আমাদের জন্য শেষ পয’ন্ত উনি বাসায় খেতে না পারলে ও যখন ইচ্ছা করত বাহিরে যেয়ে খেতেন।স্বাভাবিক ভাবেই শরীলে অনেক রোগ বালাই ছিল।বুকে একটা ব্যাথা অনুভব করতেন যার কারনেই উনাকে আমরা একবারে দেশে চলে আসতে বলেছিলাম। যখন দেখলাম পাশে থেকে ও একি অবস্থা আর কোনভাবেই শোনাতে পারছিলাম না হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম…………

যাই হোক ৪-৫ দিন আগে হঠাৎ উনি বললেন আমি অনেক চিন্তা করে দেখলাম ধূমপান ছেড়ে দিব।একথা শুনে বিশ্বাস হচ্ছিল না কারন ইতিপূবে’ ও তিনি কয়েকবার বলে শেষে একদিন ও থাকতে পারেন নাই।কিন্তু এবার সত্যি সত্যিই দেখলাম আর খাচ্ছেন না।খুব ভাল লাগল এটা দেখে। সাথে সাথে আমার ভাইয়া যিনি এখন রাজশাহীতে এস আইয়ের ট্রেনিংয়ে আছেন উনাকে জানালাম উনি ও শুনে খুব খুশি হলেন।আপনারা আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন প্লিজ।

আমি ও ব্যক্তিগত ভাবে শপথ করেছি কোনদিন ধূমপান করব না। এর পিছনে কারনটা হল এই–ঠিক কোথায় মনে করতে পারছি না কার মুখ থেকে শুনেছিলাম যে সিগারেটের গন্ধে ৪০ বছর পয’ন্ত কোন ফেরেশতা কাছে আসে না। সেই থেকে এই শপথ।

এবার আপনাদের সবাইকে বলছি ধর্মীয় দিক থেকে চিন্তা করে হোক আর কুফলের দিক চিন্তা করে হোক আপনার যারা ধূমপান করেন একটিবার চিন্তা করেন যে এটি পরিত্যাগ করা যায় কি না ??????? আর কার ও বাবা, চাচা করলে তাদেরকে ও এটি পরিত্যাগ করতে উৎসাহিত করেন।

আসুন আমরা সবাই প্রথমে ধুমপানমুক্ত পরিবার গড়ে তুলি তাহলেই একসময় ধূমপানমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে……………..