ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে মাস্টার্স শ্রেনীতে উপস্থিতির নম্বর যোগ করার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা। অবিলম্বে প্রশাসনের এ ধরনের মনগড়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে আন্দোলনের কর্মসূচী দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, ক্লাস রুমে আটকে রাখার জন্য অনার্সের পর এবার মাস্টার্স শ্রেণীতে উপস্থিতি নম্বর চালু করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অনার্সের পরই অনেকে শিক্ষার্থী চাকুরীতে যোগ দেন। কেউ বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেন। একারণে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আবেদন জানান ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মাহি মাহফুজ ক্লাসে উপস্থিত না হওয়ার জন্য শিক্ষকদের অযোগ্যতাকে দায়ি করেছেন। তিনি জানান, বিগত দু‘বছরে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রায় ১৭০ জন শিক্ষকের অধিকাংশ অযোগ্য ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত। সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।

এরা দক্ষতা ও জ্ঞান দিয়ে শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থী ধরে রাখতে পারবে না এমন আশঙ্কায় উপস্থিতির জন্য ৫ থেকে ১০ নম্বর চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। সম্প্রতি বাংলা বিভাগের নব নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক রেজোয়ানা আবেদীন তন্বীকে ক্লাস রুম থেকে বের করে দেয় শিক্ষার্থীরা। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক নুরুল হকের কোর্স প্রত্যাহারের জন্য চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এর আগে বিবিএ ও গণিত বিভাগেও একই ঘটনা ঘটে। এর ফলে ফার্মেসি, কম্পিউটার সায়েন্স, বাংলা, সরকার ও রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা চাকরি ছেড়ে ক্লাসে আসতে বাধ্য হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম বলেন, এরকম ক্লাস উপস্থিতির নাম্বারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখা শিক্ষকদের অযোগ্যতার পরিচয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান বলেন, এ সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলের।