ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

একটা সময় ছিল যখন ইংরেজী সাহিত্য বলতে শুধু সেক্সপিয়র ছাড়া কিছুই কল্পনা করা যেত না। এটা তত্কালীন সময়ে ব্রিটিশদের হাতে গড়া একটি কাজ। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম হয়েছে জাতীয় পর্যায়ের ইংরেজী সাহিত্যিকের। এছাড়া চাকরির বাজারে বিবিএ, এমবিএর যেরকম সয়লাব তখন ইংরেজী সাহিত্যের গুরুত্ব কিরূপ হওয়া উচিত? এসকল বিষয়ের সূক্ষ্ম আলোচনা বের করে আনতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের উদ্যোগে ‘থিংকিং আদারওয়াইজ উইথ ইন ইংলিশ স্টাডিজ’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গত শুক্রবার। এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.শরীফ এনামুল কবির। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষার মান আগের মত আর ধরে রাখতে পারছে না। এজন্য অবশ্যই তাদের উচ্চশিক্ষার মান ও আদর্শ নিশ্চিত করতে হবে। কাগজের তৈরি সার্টিফিকেটের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

সম্মেলনে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত অধ্যাপক রাজা গোপালন রাধাকৃষ্ণ। অধ্যাপক বলেন, বহির্বিশ্বের সকল যোগাযোগ ইংরেজি মাধ্যমে হয়ে থাকে। তাই উন্নত দেশের কাতারে সামিল হতে আমাদের ইংরেজি ভাষা চর্চা ও জানার কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। চায়না শুরুতে অন্য ভাষা ব্যবহার করেছিল, পরে তারাও ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব বুঝতে পেরে এ ভাষা ব্যবহার শুরু করে। দক্ষিণ কোরিয়ায় শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই তারা নিজেদের উন্নত করতে পেরেছে।

সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, ভারত, নেপাল এবং বাংলাদেশের দুই শতাধিক বরেণ্য ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করছেন। এতে ইংরেজী বিষয়ের উপর ৭৫টি গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হয়েছে। এরপর ১৫ ও ১৬ মে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শর্মিলা সেনের বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনে আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় শিক্ষক ড.সামসাদ মর্তুজা। বিভাগীয় সভাপতি মাসরুর শহীদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।