ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

আহাল্লাল­াহুল বাইয়া ওয়া হাররামার রিবা’’- আল্লাহ, ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন – (সুরা বাক্বারাহ- ২৭৫ নং আয়াত)।

পবিত্র কুরআনের এই উক্তিটিই ইসলামী ব্যাংকিং এর মূলস্তম্ভ। আমাদের দেশের ইসলামী ব্যাংকিং এর গ্রাহকদের মোবারকবাদ জানাই তাদের এই পবিত্র অনুভূতির জন্য। যাদের অংশ গ্রহনে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকিং একটি সু-নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইসলাপী ব্যাংক ব্যবস্থা একটি অপার সম্ভাবনাময় ব্যাংক ব্যবস্থা। আধুনিক বিশ্বে মাত্র চার দশক পূর্বে এর পুনঃআবির্ভাব। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যেই এ ব্যবস্থা বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। বর্তমানে মুসলিম বিশ্বেও প্রতিটি দেশে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। পশ্চিমা বিশের ইউরোপ, আমেরিকা এবং অষ্ট্রেলিয়ায় ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম শুর“ হয়েছে। ষ্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, এইচএসবিসি এবং বিএনপি পরিবাস ও জেপি মরগান এর মত বহুজাতিক ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যেই তাদের সনাতনী ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংকিং শুর“ করেছে।

ইসলামী ব্যাংকিংয়ের এই অগ্রযাহায় বাংলাদেশ কিন্তু পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থার ৪৭টি ব্যাংকের মধ্যে বর্তমানে ২২টি ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু আছে। আরো ১০টি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং চালুর প্রস্তুুতি নিচ্ছে এবং এর মধ্যে ৪টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিংয়ের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে।

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকগুলোতে প্রচলিত বিনিয়োগ পদ্ধতি সমুহ ইসলামী শরীয়তে হালাল তাতে সন্দেহ নেই, তবে আদর্শ ইসলামী পদ্ধতি গ্রহণ করলে দেশ ও জাতি সকলে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সুফল পাবে।

ইসলামী ব্যাংকগুলোতে শরী’য়াহ্ বোর্ড গঠন বাধ্যতামূলক করা আমানতকারীদের কে মুনাফা বন্টনে প্রচলিত ওয়েটেজ পদ্ধতির
পরিবর্তে আইএসআর বা ইনকাম শেয়ারিং রেশিও পদ্ধতি সংযোজন এ গাইড লাইনের পরিপূর্নতা আনয়ন এবং আন্তর্জাত্তিক ষ্ট্যান্ডার্ড রক্ষায় গুর“ত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এর ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের ইসলামী ব্যাংকিং সেল ০৩-০৮-২০০৪ইং তারিখে বাংলাদেশে কার্যরত ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য একটি অভিন্ন গাইড লাইন্স প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি ইসলামী ব্যাংকিং ফোকাস গ্রুপ গঠন করে। ফোকাস গ্রুপ কর্তৃক প্রণীত ইসলামী ব্যাংকিং গাইড লাইন্স গভর্নর কর্তৃক অনুমোদিত হলে তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে প্রেরণ করা হয়। ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ বিগত ০৯ নভেম্বও ২০০৯ইং তারিখে ফোকাস গ্রপ কর্তৃক প্রণীত গাইড লাইন্সের আলোকে ”গাইড লাইন্স ফর ইসলামী ব্যাংকিং” শীর্ষক বিআরপিডি সার্কুলার নং – ১৫/২০০৯ জারি করে, যা শরী’আহ্ ভিক্তিক ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য প্রযোজ্য। উলে­খ্য বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এই প্রথম বারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ হতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য অনুসৃতব্য গাইড লাইন্স প্রণয়ন করা হলো। এর আগে ইসলামী ব্যাংকিং আইন ছাড়া চলছিল ইসলামী ব্যাংকগুলো শরী’আহ্ কেন্দ্রীক ঝুকির মধ্যে। সে ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পেলেও ঝুঁকি থেকে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিত্রানের জন্য একটি পৃথক ইসলামী ব্যাংক কোম্পানী আইনের ভার্সন প্রয়োজন।

অর্থনীতির ফলিত বিষয় হিসাবে ইসলামী অর্থনীতি, ইসলামী ব্যাংকিং ও ইসলামী ফিনান্স বিষয়গুলো উদ্ভব হয়েছে। আমাদের দেশের সরকারী, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উক্ত বিষয়গুলো চালু করার মাধ্যমে আমাদের দেশে তথা মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামী ব্যাংকিং পেশায় বহু কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জনশক্তি রপ্তানীর বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। ইসলামী ব্যাংকিং শিল্প বিশ্ব বাজারেও দ্রুত্‍তার সাথে বেড়ে চলেছে এবং বাংলাদেশেও তা অগ্রসারমান তবে বিশ্বব্যাপী ইসলামী ফাইনান্সের অগ্রগতি যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে সে তুলানায় দক্ষ জনশক্তির অপ্রতুলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

আন্তজাতিক নিরীক্ষা সংস্থা ’’আর্নষ্ট অ্যান্ড ইয়ং’’ এর মতে, বিশ্বে ইসলামী ফাইনান্সের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ২০% এবং এই শিল্পের বর্তমান সম্পদের সর্বমোট পরিমান ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি সুইস ব্যাংক গ্রুপ ”ক্রেডিট সুইড’’ এবং জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত যৌথ ষ্টাডি রিপোটে প্রকাশ করা হয়, শরী’আহ্ কমপ্লায়েন্ট ফাইনান্সিয়াল প্রোডাক্টের চাহিদা বিশ্বব্যাপী এত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, ২০১৬ সাল নাগাদ এ সেক্টরের সম্পদের পরিমান ও ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। অর্থাৎ আগামী ৬ বছর তা তিনগুন বৃদ্ধি পাবে।

ইসলামী শরী’আহ্ IBP ও FBP এবং শেয়ার ক্রয় বিক্রয় : ইসলামী ব্যাংক সমুহের বৈদেশিক বানিজ্য সেবায় ইনল্যান্ড বিল পারচেজ ও ফরেন বিল পারচেজ এর ক্ষেত্রে পুরোপুরি শরী’আহ্ পরিপালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বিষয়টি নিয়ে গভীর চিন্তা ভাবনা করে সার্বিক সমাধানের উপায় বের করার জন্য সেন্টাল শরী’আহ্ বোর্ডের ফিক্বহ কমিটি একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে। কমিটি শরী’আহর আলোকে IBP ও FBP বিষয়ে একটি গবেষনামূলক প্রতিবেদন ও সুপারিশ চূড়ান্ত করে যা কমিটি অনুমোদনও দিয়েছে। আশা করা যায় এ সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে ইসলামী ব্যাংকগুলো IBP ও FBP এর ক্ষেত্রে পুরোপুরিভাবে শরী’আহ্ পরিপালন করতে সক্ষম হবে।

অনুরূপভাবে সংশি­ষ্ট কর্তৃপক্ষ ইসলামী ব্যাংকগুলোকে পূঁজিবাজারে ব্যবসায়ের সুযোগ করে দিলেও সনাতন পদ্ধতির পুঁজিবাজারে ইসলামী শরী’আহ্ আলোকে লেনদেন করার জন্য কোন নীতিমালা জারি করে নি। এ অবস্থায় সদস্য ব্যাংকগুলোর চাহিদা বিবেচনা করে সেন্ট্রাল শরী’আহ্ বোর্ড ইতোমধ্যে শেয়ার ক্রয় বিক্রয় নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন সংক্রান্ত একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে। কমিটি শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের নীতিমালার খসড়া প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করেছে। সেন্ট্রাল শরী’আহ্ বোর্ডের ফিক্বহ কমিটির অনুমোদনের পর তা কার্যকর হবে। তাতে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মৌলিক নীতিমালা, মার্জিন সংক্রান্ত শরী’আহ্ সম্মত পদ্ধতিসহ প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা রয়েছে। ব্যাংকিং ও শরী’আহ্ জ্ঞান সম্পন্ন দক্ষ সদস্যবৃন্দ, মুরাকিবগন নীতিমালার যে খসড়াটি প্রণয়ন করেছেন সেন্ট্রাল শরী’আহ্ বোর্ডের ফিক্বহ কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষ তা বাস্তবায়িত হলে দেশের পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত সেবা প্রদানে ইসলামী ব্যাংক সমুহের শরী’আহ্ পরিপালনকে সহজ করবে বলে আশা করা যায়।
শেয়ার ব্যবসায় মার্জিন প্রদানের শরী’আহ্ সম্মত পদ্ধতি
বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় রেখে নিম্নোক্ত দুটি পদ্ধতিতে ইসলামী ব্যাংকগুলো শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারে। ১.মুদারাবা ২. মুশারাকা ৩. মুরাবহা আন্ডার শিবকাতুল মিলক।

মুদারাবা
মুদারাবা নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো গ্রাহককে শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারে। এ পদ্ধতিতে ইসলামী ব্যাংকসমুহ বিনিয়োগ গ্রাহকদের নিকট পন্য বিক্রির পরিবর্তে ব্যবসা পরিচালনার জন্য সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান করতে পারে। লাভ চুক্তি মোতাবেক উভয়ের মধ্যে বন্টিত হবে।

মুশারাকা
মুশারাকা মূরত, একটি অংশীদারী ব্যবসা (Partnership Business) এ পদ্ধতিতে ইসলামী ব্যাংক সমুহ বিনিয়োগ গ্রাহকদের নিকটপন্য বিক্রির পরিবর্তে ব্যবসা পরিচালনার জন্য সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান করতে পারে। অংশীদারিত্ব বোঝাতে আরবি ভাষায় ’শিরক’ ও ’শিরকাত’ শব্দ দু’টি ব্যবহৃত হয়। আধুনিককালে ’মুশারাকা’ বা অংশীদারী ব্যবসা বলতে যা বুঝায় ফিক্বহের গ্রন্থসমুহ তা ’শিরকাতুল আক্বদ’ হিসেবে বহুল আলোচিত। ’শিরকাতুল আক্বদ’ মানে চুক্তির ভিত্তিতে অংশীদারিত্ব, যেখানে চুক্তিই অংশীদারিত্বের ভিত্তি। ব্যবসা পরিচালনার জন্য একাধিক অংশীদার এই চুক্তির অধীনে একত্রিত হয়। ’শিরকাত বা মুশারাকার বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে ’শিকাতুল ইনান’ এর প্রয়োগ সহজ হওয়ার কারণে ইসলামী ব্যাংক সমুহ এ পদ্ধতি সহজে অনুশীলন করতে পারে। ’শিরকাতুল ইনান’ এ প্রত্যেক অংশীদারের প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া যেমন শর্ত নয় তেমনি পুঁজি সরবরাহ, ব্যবস্থাপনায় অংশ গ্রহণ ও লাভ-ক্ষতি গ্রহনে প্রত্যেকের সম-অংশীদারিত্ব আবশ্যক নয়। শিরকাতুল ইনান পদ্ধতিতে অংশীদারগন অংশগ্রহণ, মুনাফাবণ্টন ইত্যাদিতে অংশ গ্রহণ করে থাকে। আর লোকসান হলে পুঁজির অনুপাতে অংশীদারগনকে তা বহন করতে হয়।

মুরাবাহা আন্ডার শিরকাতুল মিলক
শেয়ার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংক সমুহ মুরাবাহা আন্ডার শিরকাতুল মিল্ক পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। প্রস্তাবিত এ পদ্ধতি মূলতঃ দুটি বিনিয়োগ পদ্ধতির একটি সমন্বিত রূপ। ১. বাই মুরাবাহা এবং ২. শিরকাতুল মিলক। এর অর্থ হলো এক শরীকের অংশ অপর শরীক কর্তিক বাকিতে ও লাভে ক্রয়ের অঙ্গীকার করবে। প্রস্তাবিত প্রডাক্টটির নাম হবে MSM (Murabaha Under Shirkatul Meelk) ’শিরকাতুল মিলক’ নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে গ্রাহক ও ব্যাংক মিলে কোন শেয়ার/পন্য ক্রয় করবে। অতঃপর ব্যাংকের অংশ গ্রাহকের নিকট মুরাবাহার ভিত্তিতে বিক্রি করবে।

শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রের প্রস্তাবিত ’মুরাবাহা আন্ডার শিরকাতুল মিলক’ পদ্ধতিটি অনুশীলন করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে শেয়ারের উপর ব্যাংকের মালিকানা অর্জন ও ক্ববদ সংক্রান্ত জটিলতার নিরসন হতে পারে। কেননা প্রচলিত আইনে শেয়ারের উপর ব্যাংকের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা যায় না বলে বাই মুরাবাহা পদ্ধতিতে শেয়ারে বিনিয়োগ করা বৈধ নয়। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে প্রথমে মুশারাকা মোডে ব্যাংক ও গ্রাহক যৌথভাবে শেয়ার ক্রয় করবে। এতে মুশারাকার নীতিমালা অনুযায়ী গ্রাহকের মালিকানা অর্জনই মালিকানার জন্য যথেষ্ট হবে। অতঃপর ব্যাংক তার অংশ গ্রাহকের নিকট বাই মুরাবাহা পদ্ধতিতে বিক্রয় করে দিবে। মুরাবাহা আন্ডার শিরকাতুল মিলক পদ্ধতির বৈধতার দলিল।

বাংলাদেশে চালু হচ্ছে আন্ত: ইসলামী ব্যাংক মানি মার্কেট যা ইসলামী ব্যাংকগুলোর একে অপরের মধ্যে অতিরিক্ত তারল্য লেনদেনের পথ প্রশস্ত করবে। তবে এই ইন্সুট্রমেন্টগুলো কনভেনশনাল ব্যাংকগুলোর সাথে তারল্য লেনদেনে ব্যবহার করা যাবে না। ’ইন্টার ব্যাংক ওয়াকালাহ’ হল একটি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি যেখানে বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকের সাথে বিভিন্ন ধরনের সম্পদে বিনিয়োগ করতে সম্মত হবে। ইসলামী ব্যাংক এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীর এজেন্ট বা উকিল হিসেবে বিবেচিত হবে। বিনিয়োগকারী যখন লাভসহ বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাবে তখন ব্যাংক তার সার্ভিস প্রদানের জন্য একটি ফি প্রাপ্য হবে।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের গাড়ি বাড়ির সপ্ন দেখায় এবং লোভ ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রেরণা জোগায়। এ শিক্ষানীতিতে শিক্ষার্থীদের জনসেবা করার প্রেরনার স্থান পায় নি। বিশ্ব বানিজ্য ব্যবস্থা আজ আমেরিকা কেন্দ্রীয়। আমেরিকা জ্বর এলে বিশ্বের রপ্তানীকারক দেশগুলিকে এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। তবে আশার কথা হল আমাদের দেশের অর্থনীতি একটি সুনির্দিষ্ট অংশ আজ ইসলামী অর্থনীতির উপর অধিষ্ঠিত যার কারনে বিশ্ব মন্দাতে আমাদের ক্ষতি সাধিত হয় নি। তবে পরিশেষে একথা বলতে চাই শুধু হার্ডওয়ার, সফট্ ওয়ার দিয়ে ইসলামী ব্যাংকি সেবা নয়। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী হিউম্যান ওয়ার এর ভিত্তিতেই ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা সু-দৃঢ় ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।