ক্যাটেগরিঃ ভ্রমণ

চা পাতা উত্তোলনে চা শ্রমিক।

দার্জিলিং শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। সংস্কৃত ভাষার শব্দ ”দুর্জয় লিঙ্গ’’। এর অর্থ অদম্য ক্ষমতার অধিকারী শিব, যে হিমালয় শাসন করে।

দার্জিলিং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের একটি জেলা। এর অবস্থান ভারতের উত্তর পূর্বে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। নেপালের পূর্বে সিকিম এর দ¶িনে এবং ভূটানের একটু দ¶িণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত।
হিমালয়ের পাদদেশ ও সৌন্দর্য্যরে লিলাভূমি হওয়ায় ইংরেজরা এখানে তাদের মনের মাধুরী মিশিয়ে সাজিয়েছে। ভৌগলিকভাবেই ইংরেজ বসবাস ও তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার তাগিদেই
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো গড়ে উঠেছে এ অঞ্চলে।

এ অঞ্চলে মানুষের আকর্ষনের আরেকটি অন্যতম কারণ চা ও কমলা বাগান। যারা রেল গাড়ি চড়তে ভালো বাসের তাদের জন্য বিশেষ উপহার দার্জিলিং এর বিখ্যাত খেলনা ট্রেন বা বাস্পীয় রেল গাড়ি।
যা প্রায় সময়ই চা কোম্পানীগুলোর বিজ্ঞাপনে দেখা যায়।

এটি সমতলের শিলিগুড়ি থেকে ছেড়ে ঘুম এবং দার্জিলিং এর পাহাড়ী অঞ্চলে গিয়ে যাত্রা শেষ করে।

১৯৯৭ইং সালে সেনসাই টি.এস রায় সভাপতি, নেপাল কারাতে ফেডারেশন এর আমন্ত্রনে ১৮ সদস্যের কারাতে দলে অংশ গ্রহনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের লালমনির হাট বর্ডার (বুড়িমারী – চ্যাংরাবান্ধা) দিয়ে শিলিগুড়ি – দার্জিলিং হয়ে ইন্ডিয়া – নেপাল বর্ডার (রানীগঞ্জ-কাকারভিটা) দিয়ে কাঠমন্ডু যাত্রা। চলতি জার্নি পথে যা দেখা।

দু-এক দিন অবস্থান করার কোন সুযোগ ছিল না। ঐ অল্প সময়ে চলতি পথে যা দেখেছি অসম্ভব সুন্দর জায়গা। সেখানের মানুষগুলোও প্রকৃতির মত সহজ সরল। মন ফিরে আসতে চায় না।
তখন থেকেই আবার যাওয়ার ইচ্ছা কিন্তু কর্মব্যস্ততার কারণে আর যাওয়া হয়নি। তবে ছোট ভাই বাবুর আগ্রহে আবার যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। পাসপোর্টটার অফিসিয়াল কাজ শেষ করতে পারলে হয়তো আবার যাওয়া হবে। আর একটি রুট আছে সিলেট তামাবিল – ডাউকি মেঘালয়ের শিলং হয়ে আসামের গোহাটি দিয়ে দার্জিলিং। তাতে নাকি মেঘালয়ের শিলং, আসামের গোহাটিসহ অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান পড়ে।

পিক্চার – ইন্টারনেট হইতে।