ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

বতর্মান ডিজিটাল প্রযুক্তির সাথে সাথে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যেো লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া, দেশের নামকরা ফাষ্ট-ফুড কম্পানিগুলো তাদের খাদ্যের মাননিয়ে যতটুকু প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার চেয়ে বেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে পন্যগুলো সাধারন মানুষের হাতে ধরিয়ে দেয়াজায়। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি ছারাো দেশ বিদেশের নামকরা বিভিন্ন মডেলিংদের পিছনে বেয় করে কোটি কোটি টাকা। আর তাই দেখে আমরা পন্যের মানের চেয়ে ঔ সমস্ত নায়ক নায়িকা বা মডেলদের বিজ্ঞাপনের পাল্লায় পরে খাদ্যের মান বা দরদাম জিজ্ঞেস করার প্রয়োজনই মনে করিনা।

এত দরদাম জিজ্ঞেস করার প্রয়োজনই কী? কারন এখানে যারা খাওয়াদাওয়া করে তাদের তো টাকা পয়সার কোন অভাব নেই, মান যাই হোক নামত আছে…।যাদের টাকা আছে তারাই খাবে এটাই তো স্বাভাবিক! হ্যা…. এটাই স্বভাবিক।কারন টাকার গন্ধে আমাদের চারিপাশের সব কাছুই ভুলে যাই।

এখন আসি মূল কথায়, সাইফুন নাহার সংসারের ৬ ভাই বোন এর মধ্যে সবার বড় বাড়ি ভোলা ইলিশায়, বাবা ২ বৎসর আগে সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। সাইফুন নাহারের ছোট বোন সয়মা জন্মের পর থেকেই পৃথিবীর আলো দেখতে পায়না, বাবার ভিটা বাড়ি মেঘনার বুকে বিলীন… রাস্তার পাশে ছোট একটি টং ঘর বৃষ্টিতে ভিজে আর রোদে শুকিয়ে যাদের দিন রাত কাটে। সাইফুন নাহার চট্রগ্রাম CEPZ এ একটি কারখানায় ৩৮০০ টাকা বেতনে অপারেটর পদে চাকুরি করেন, থাকেন কাটঘর বাজার এর পাশে একটি ১রুমের টিনসেট ঘরে ৪জন মিলে। কথা হয় সাইফুন নাহার এর সাথে বাড়ি যাবার পথে জোনাকী পরিবহনে। ৩৮০০ টাকা বেতনে কী ভাবে সংসার চলে জিজ্ঞেস করতেই অনেকক্ষন পরে নিঃশ্বাস…….নিয়ে বলল ভাই প্রতি প্রতিদিন সকালে ৮ টাকায় ২টি সিঙ্গারা নিয়ে উপরের অংশটা সকালের নাস্তা হিসেবে চালিয়ে দেই আর ভিতরের অংশটুকু লাঞ্চে ভাত দিয়ে খাই।যেখানে অামরা ১টি পিজা বা ১টি বারগার কিংবা কোন কফি অাড্ডায় ১০০০টাকা পযর্ন্ত খরচ করতে একটুো চিন্তা করিনা।
যাদের পরিশ্রমে এদেশের পোশাক শিল্প টিকে অাছে তারাই এ সমাজে সবচেয়ে অবহেলিত।এ দের প্রতি এ সমাজের কী কোন দায়িত্ব নেই???????