ক্যাটেগরিঃ ব্যক্তিত্ব

from online news

চলে গেলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত গজল সম্রাট মেহেদী হাসান। পাকিস্তান-এর রাজধানী করাচি-র এক বেসরকারী হাসপাতালে বুধবার ১৩ জুন ২০১২ ইং শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই গানের পাখি ৮৪ বছরে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। জন্মেছেন ১৯২৭ সালে ভারত-এর রাজস্থান রাজ্যের ঝুনঝুন জেলার লুনা গ্রামে। ওস্তাদ বাবা আজিম খান ও ওস্তাদ চাচা ইসমাইল খান-এর কাছে শিশুকালেই সঙ্গীতে হাতেখড়ি। শৈশবে দারিদ্রের মধ্যেও বাবা-চাচার কাছে যথার্থ তালিম পেয়েই নিজের মেধার জোরে শেখেন ক্ল্যাসিক ধ্রুপদী-খেয়াল-ঠুমরী। ১৯৪৭ এ দেশবিভাগের পরে ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে স্থায়ীনিবাস হয় সপরিবারে। ১৯৫৭ তে পাকিস্তান রেডিও-তে অডিশন-এ চান্স পেয়েই শুরু হয় তাঁর সঙ্গীত জীবনের। তারপর থেকেই রাজসিক পথ চলা সঙ্গীতে। তাঁর স্বতন্ত্র কন্ঠের গজল গায়কীর স্বকীয়তার রোশনাই ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশ জুড়ে। জীবনভর নিবেদিত থেকেছেন গজল আর রাগপ্রধান গানে। অনেক সন্মানে ভূষিত হয়েছেন। অসংখ্য জনপ্রিয় ফিল্ম-এ প্লেব্যাক কন্ঠ দিয়ে অর্জন করেছেন তুমুল খ্যাতি। যে খ্যাতি চির-অম্লান থাকবে কি সঙ্গীতে কি ফিল্মে চিরকাল। দুনিয়াজোড়া তুমুল জনপ্রিয় গোল্ডেন ভয়েস-এ ধরা তাঁর মেলোডিয়াস কন্ঠযাদু। রেকর্ডকৃত তাঁর এ্যালবাম-এর মধ্যে বিখ্যাত “গালিব গজলস”, “সারহাদে”, “সাদা-ই-ইশক”, “নজরানা” সহ আরও অনেক গানের এ্যালবাম। যা রত্নভান্ডার রূপেই আদৃত হবে সঙ্গীত দুনিয়ায় আর সঙ্গীতপ্রেমীর সংগ্রহে। তাঁর গাওয়া বাংলাগান

“হারানো দিনের কথা মনে পড়ে যায়”

বারংবার তাঁকে মনে করিয়ে দিচ্ছে আজ … এভাবে একদিন গানের পাখিরা সমস্ত গান ফেলে একাকী চলে যায় আকাশের ঠিকানায় … খুঁজেও পাওয়া যায়না বটে, কিন্তু তবুও পাই তাঁরই ফেলে যাওয়া গানে ! প্রিয় শিল্পী ও গজল সম্রাট মেহেদি হাসান-এর জন্য হার্দিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।

a collection from online news

১৪ জুন ২০১২ ইং