ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

ওসামা বিন লাদেন। হাল্কা-জোব্বা-পাগড়ি ধারী-কালো দাঁড়িওয়ালা একজন অশনিসঙ্কেতবাহী মানুষ। দীর্ঘ বর্ষ ব্যাপী পৃথিবীময় সন্ত্রাস জাল বিছিয়ে ঘটিয়েছেন আমেরিকার মতো শীর্ষ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রে ভয়ংকর টুইনটাওয়ার বিস্ফোরণ। এবং সদম্ভে নিজের ভয়ংকর কর্মকান্ডের দায় স্বীকার করে আন্ডারগ্রাউন্ড কর্ম-পরিচালনার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন তার মতাদর্শী দলের বিস্তৃতি। যা এই বাংলাদেশেও ভীতি ছড়িয়েছে কিছুদিন আগেও। মনে আছে? বিএনপি জোট আমলের সেই শ্লোগান — বাংলা হবে আফগান — !! আজ অবশ্য তা বন্ধ হলেও নব্য আমিনী সন্ত্রাসী বক্তব্য দিচ্ছে। কিন্তু লাদেন এর নিহত হওয়ার সংবাদ আমিনী শুধু নয় উগ্র-ধর্মীয়-মতাদর্শীদের জন্য আহত হওয়ার মতোই এক সংবাদ। আর এই অসাধারণ কাজটির সাফল্যের দাবিদার আমেরিকার বর্তমান সরকার ওবামা-সরকার। ধন্যবাদ প্রেসিডেন্ট ওবামা। যিনি ক্ষমতারোহনের পর পেয়েছেন ‘ নোবেল শান্তি পুরষ্কার ‘, এবার নিশ্চয় বিশ্বের সব শান্তিকামী মানুষের সমর্থন পাবেন তিনি। তাছাড়া মুসলিম ধর্মালম্বী মানুষ লাদেনের সহিংস টুইনটাওয়ার আক্রমণের ঘটনার পর থেকে যে অযথা কেবলমাত্র মুসলিম নামের জন্য সন্দেহের শিকার হয়ে অনেক হয়রানির মুখে পড়েছে, আশাকরি লাদেন নিহতের পর তার সমর্থকদের কর্মপরিধির সংকোচন ঘটবে, এবং অযথা মুসলিম হয়রানির দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন ঘটবে।

তাই যে কোনও মৃত্যুর জন্য মনে যে শোক জাগে, কারও-কারও ক্ষেত্রে তা কিন্তু প্রযোজ্য হয়না। লাদেন নিহতের সংবাদটিও তাই শোকের বদলে স্বস্তির। অনেকটা ‘জয় বার্তা’ বলেই মনে করি। এভাবেই বিশ্বের সব সন্ত্রাসবাদের মৃত্যু ঘটুক। আর আমাদের জগত বাসীর জগত হয়ে উঠুক নিরাপদ — অপার শান্তির বসত। আমাদের আগামী শিশুদের জন্য অবাধ-নির্মল বসতি হোক গোটা পৃথিবী।