ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

55_Fire_Bus_Shahbagh_Belal+Paribahan_10012015_00+(5)

হ্যাঁ, গত কয় দিনের অবরোধে, হরতালের জিঘাংসা দেখিয়া-দেখিয়া মন বলিছে – বুঝরে, বুঝরে মন, মানুষ মানুষের জন্য কে বলিয়াছে? উহা সাধারণের চাওয়া হিসাবে গানের ভাষায় জনপ্রিয় একটা গান কেবল। যাহা শুনিয়া মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা জন্মায়। কিন্তু, শুধুমাত্র অপরাজনীতির ধারক বাহক যাহারা উহাদেরই মনে জীবনে জন্মায় না জনগণের প্রতি কোনও ভালোবাসা। উহারা মানুষ ভালো না বাসিয়া নির্দ্বিধায় মানুষ পোড়াইতে নির্দেশ দিবার নিষ্ঠুরতম নেত্রী হইয়া জ্বলন্ত উদাহরণ হইয়া হাসিতে পারেন! অাগেও অামরা দেখিয়াছি এই একই দৃশ্য। নেত্রীর নির্দেশ পাইয়া এক দঙ্গল চোরাগোপ্তা ঘাতক ক্যাডার অবরোধের নামে হরতালের নামে উন্মত্ত হইয়া চালাইয়াছে নিরীহ মানুষ মারার ধুম। এমন রাজনীতি এবঙ রাজনৈতিক নেতানেত্রীর মুখের কথা, মুখদর্শন মহাপাপ বলিয়া মন বলিছে অাজ অামার।

অামার পরাণ জ্বলিতেছে .. কাঁদিয়া মরিতেছে … চলন্ত বাসযাত্রীদের পুড়িয়া দগ্ধ হইয়া অবশেষে মরিয়া যাইবার জ্বলন্ত দৃশ্য দেখিয়া। অামার সকল যাতনাবিদ্ধ মনের কথাগুলি না লিখিয়া কি পারি? অামি কি না লিখিয়া কেবল দেখিয়া যাইতে পারি? অামার লেখা ছাড়াতো অন্য কোনও উপায় জানাও নাই যাহাতে মনের অসহ্য ভার কিঞ্চিৎ লাঘব করিতে পারি। তাইতো এই শুক্রবারেও রাঁধাবাড়ার সকল কাজ রাখিয়া বসিয়াছি লিখিতে। জানি, লিখিয়া কি অার কারও উপকার কিছুতে হয়? হয় না। তবুও লিখিয়েরা লিখিয়া যায়। নিঠুরা যাহাদের নির্দেশে জীবন্ত মানুষ মারার মহোৎসবে উন্মত্ত এক দঙ্গল দলীয় ঘাতক কে ওদের অাজিকে পোড়াইয়া মারিবে? রাষ্ট্র ওদের এবঙ ওদের নেত্রীরে কি শাস্তি দিলে অতগুলি জীবন্ত দগ্ধ মানুষগুলির শান্তির বার্তা হইবে?

এত জিঘাংসার রাজনীতি অামরা প্রিয় বাংলাদেশে দেখিতে চাহিনা অার … অথচ, কে থামাইবে নিঠুরা নির্দেশের অই নেত্রীরে? শুনিয়াছি অশুভ শক্তির মোকাবিলায় প্রস্তুত সেনাবাহিনী। সেই হউক তবে জীবন্ত মানুষ পোড়াইবার অপরাজনীতি ঠেকাইবার একমাত্র পদ্ধতি। তবু মানুষ বাঁচুক নির্মমতার রাজনীতি হইতে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা –
হে অাল্লাহ, অাপনি অই নিষ্ঠুরদিগকে কঠিনতম শাস্তি বিধান করুন … যাহাতে অার কোনও নেতানেত্রী বাংলাদেশে জীবন্ত মানুষ পোড়াইবার রাজনীতি করিয়া পার পাইতে পারে।” অামীন।