ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

Modi-2

এইমাত্র ভারত-এর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে প্রথমবার সফরে এলেন। এবঙ এই সফরে তিনি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফলপ্রসু আলোচনায় দুই পড়শি দেশের জরুরী সমস্যার সমাধানের ইতিবাচক একটি চুক্তিতে দুজনে স্বাক্ষর করতে পারেন বলেই খবরে প্রকাশ। এই খবরে আশাবাদী আমরা। কারণ, নরেন্দ্র মোদী-র ক্ষমতায় আরোহনের পরপর এখন অব্দি অনেক ইতিবাচক উদযোগের ফলাফল আমরা মিডিয়ার বরাতে জানছি। দেখতে পাচ্ছি টিভির সচিত্র সরেজমিন ক্যামেরার কারণে। ইতোমধ্যে অনেক কালের একটি আশাব্যাঞ্জক সমাধানের চুক্তির বাস্তবায়ন হলো – তারই ফলাফল হিসেবে আমরা দেখছি আজ অনেক কালের দুঃখ দুর্দশাগ্রস্ত দুই দেশের অবহেলিত ছিটমহলবাসীর মুখে ফুটেছে হাসি। তাদের হাসিমুখগুলি অনেক কাল পরেই স্বপ্ন দেখছে আবার নতুন করে।

আরও তাক লাগানো কাজ মোদী-জী করেছেন – বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তী দুইটি পড়শি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চুক্তিপত্রে নতুন করে অনুমোদন স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়েই। তাই বাংলাদেশবাসি আশাবাদী হওয়া স্বাভাবিক। আরও আছে আশাবাদের নমুনা যা প্রচারিত দুই দেশের বার্তায় – মোদী-জী যথেষ্ট উদার চিত্তে বাংলাদেশের সকল বিদ্যমান জরুরী সমস্যাদি সমাধাানের আলোচনায় সুদূরপ্রসারী সফলতার দিকে এগুতে চান। মোদী-জী তারই প্রমাণ রাখতে বাংলাদেশে পা রাখলেন – বলাই যায়। আমরা ইতিচবাচক এমন মানুষেরএই মনোভাবকে নিশ্চয় উদার চিত্তে স্বাগত জানাই সবসময়। এই দেশের মানুষ অতিথি পরায়ন। এবঙ যা কিছু দেশের কল্যাণকর তারেই সমর্থনা জানায়। অমঙ্গল যা কিছু তারে হটাতে চায়। হানাহানির পথ পরিহারের দিকে জনমানুষ সমর্থনা জানায়। ভারতের বিধানসভায় বসেই মোদী অনেক তাক লাগানো কাজে সফলতার নমুনা হবার নজির হয়েই চলেছেন নিজের দক্ষতায়। যে নেতা নিজ দেশের মানুষের ভালোবাসায় এগুতে পারেন, তাঁকে সফল নেতৃত্বের উদারহরণ বলা যেতেই পারে। হাজার প্রতিকূলতা যে নেতা সহজে মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখেন সেই নেতার পক্ষে যায়ই জন-সমর্থনা যুগেযুগেই দেশেদেশে এমন ঘটমান। মোদী-জী বিশ্বে উল্লেখযোগ্য নেতৃত্বের নমুনা আজ। একই কথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বিশ্ব বলছে আজ।

যা হোক, যদিও একটা দ্বিধা দোদুল্যমানতাও ছিলো যে মোদী জিতলে বাংলাদেশের জন্য হয়তো ইতিবাচক হবেনা। মোদী নিজেই তাঁর জবাব দেখিয়ে দিলেন দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আমরা তাঁর চমক দেখতে চাইছি আরও অধিক ফলপ্রসূ আলোচনায় চুক্তিপত্র কেবল সই করা না, বাস্তবায়িত হবার অঙ্গীকার সমেত সচিত্র খবর দেখবো বলেই । আশাবাদী মানুষ আমরা আশায় হাত ধরার পক্ষে। অচিরে আরও সফলতার নমুনা দেখতে চাই। এবঙ দুই দেশের মানুষের আরও হাসিমুখ দেখতে চাই। এমন কোনও অপূরণীয় আশাবাদ পড়শি দুই দেশের মানুষের হৃদয় ধারণ করেনা যার পূরণ অসম্ভব। দেশের কর্ণধার উদার মনে এগুলে সম্ভব সবই। অসম্ভব এমন শব্দটা মোদী-জী , বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন ঘুচিয়ে দিন – চাওয়া আজ আমার এই।

লেখার শেষে সুস্বাগতম আবারও জানাই –
মোদী-জী, সফর মাইলফলক হোক।

৬-ই জুন। ২০১৫ সাল।
ঢাকা। বাংলাদেশ।