ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

সুপ্রিয়া, জয়শ্রী, মঞ্জুশ্রী, মৌসুমী  গাইছে  রবীন্দ্রগীতি।।

কোলকাতার দশ জনের একদল দারুণ গুণী মানুষ সম্প্রতি বাংলাদেশে বেড়াতে এসেছিলেন। উনাদের আমার বেয়াই ও বেয়ান এর সনে হৃদ্যতার কারণে আমাদের সনেও হৃদ্যতা ঘটেছে। বেয়াইর বাড়িতে সেদিন সবাই মিলিত হয়েছিলাম জম্পেশ খাওয়া + আড্ডায় সময় দারুণ বহিয়া গেলো। জয়ার নাচে বেয়ান নাচলেন। আমরা তালিয়া দিলাম জোরে। বেয়াই অনুরোধে দরাজ অভিনয় ও কয়েক লাইন গানও গাইলেন। উনারা সবাই কোলকাতায় গ্রুপলি অনেক অনুষ্ঠান করেন। পারফর্মার হিসেবে সুনাম কুড়ান সকলেই। উনারা সকলেই কোনও না কোনওভাবে পৈত্রিক ভিটেমাটির সূত্রে সম্পর্কিত বাংলাদেশের সনে। সুযোগ পেলে বাংলাদেশে আসেন বেড়াতে। ওঠেন হোটেলে। ঘুরে বেড়ান ভালো লাগার স্থানগুলি। অফার পেলে পারপরমেন্স করতে আগ্রহী।

সমবেত  রবীন্দ্রগীতি গাইছে  জয়শ্রী, সুপ্রিয়া, মঞ্জুশ্রী, মৌসুমী।।

সেদিন বেয়াইর বাড়িতে ঘরোয়াভাবে দারুণ মুগ্ধ করার সনে আমাদেরও কিছুটা করিয়ে ছাড়লেন। অরবিন্দ দাদা ও বৌদি দুজনে আবৃত্তি চমতকার করলেন। বৌদি আমার “জীবনপুঁথি” হতে একটি আবৃত্তি করাতে বুঝলাম আদতে আবৃত্তি একটি উঁচু দরের শিল্প। আমিও অনুরোধের ঢেঁকিটি গিলে নিজের জীবনপুঁথির পুঁথিস্টাইলে সর্বশেষ কবিতাখানা পাঠ করার প্রয়াস চালিয়েছিলাম। হাততালিও জুটেছে কপালে। অরবিন্দ দাদা-বৌদির কিশোরী কন্যা এষা – সেও কম না কারও চাইতে। আবৃত্তি করলো চমকিত গলায়। সুপ্রিয়া দিদি, মৌসুমী, জয়শ্রী, মঞ্জুশ্রী দারুণ গাইলেন। সবার শেষে বৃষ্টি দিদি চমকে দিলেন বাঁকুড়া জেলার আঞ্চলিক উচ্চারণের মজার কবিতা দিয়ে। সে যে কি আবৃত্তি কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই – মুখস্ত রাখাও কঠিন – অবলীলায় আবৃত্তি করলেন ও সেটি ভিডিওতে ধারণ করলেন আমার স্বামী।

এখানে কিছুতেই ভিডিও আপলোড করতে চেয়ে পারলাম না বলে শোনানো গেলো না বৃষ্টি দিদির অসাধারণ আবৃত্তি। তো, অগত্যা সেদিনকার খিচুড়ি, ডিম খাবার ডিশ দিলাম জুড়ে।

বেয়ান বাড়ির খিচুড়ি ডিশ।।

বেয়ানের বাড়ির ডিমের রেজালা ডিশ।।

বেয়ানের বাড়ির ডিমের রেজালা ডিশ।।

বেয়ান বাড়ির চিকেনরোস্ট ডিশ।।


বেয়ান বাড়ির বেগুন টকঝালমিষ্টি।।

২২-শে কার্তিক। ১৪২২ বঙ্গাব্দ।
ঢাকা। বাংলাদেশ।