ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

আজ বিশ্বের সামনে বাংলাদেশ দৃষ্টান্ত রচলো। ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত। একাত্তুরের কুখ্যাত রাজাকার সাকা-র ফাঁসি হয়েছে। একইসঙ্গে আলবদর মুজাহিদের ফাঁসি হয়েছে। আজ হৃদয় হতে বাংলাদেশের মানুষ ধন্যবাদ জানালো বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমনত্রী শেখ হাসিনা কে। বাপের বেটি বটেন। দেখিয়ে দিলেন বিশ্বকে। তিনিই সেরা সফল নেত্রী জগতে। এদেশের জাতীয় কলঙ্কমুক্তি ঘটলো আজ একাত্তুরের ঘৃণিত দুজন যুদ্ধাপরাধী সাকা-মুজাহিদের একসঙ্গে ফাঁসির রায় কার্যকর হবার ভিতর দিয়ে। তাইতো আজ বাংলাদেশের হৃদয় হতে বলছি আমরা –

“জ—য় বাংলা।।”

কাজটি মোটেও সহজসাধ্য ছিলো না। রীতিমতো অসধ্যকে সাধন করার মতোন কাজ। বাধার বিন্ধ্যাচল পেরিয়ে এগুতে হয়েছে। আইনের কঠিন নিয়ম মাফিক। সব হয়েছে আইনী নিয়ম মেনে। যে সাকা তৎকালীন বিরোধী সরকারের মন্ত্রী পদেও বসেছিলেন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে … জাতীয় পতাকা উড়িয়ে … বাঁকাহাসি হাসতে-হাসতেই গদীতে বসে জাতিকে অশ্লীল অনেক ডায়ালগে চমকে দিয়েছেন ! গালিগালাজে উস্তাদ সাকা-র খিস্তি আদালতেও শুনেছেন বিচারকরা, আইনজীবি মানুষরা। যাহোক, সাকা এখন যুদ্ধাপরাধে ফাঁসিতে মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকর হওয়া একজন। অনেক মানুষ অাদায় করছে হাজার শুকরিয়া। মুজাহিদের অপরাধও ক্ষমাহীন। চরম নির্যাতনকারী সেই সে আলবদর প্রধান যে মেরেছে বধ্যভূমিতে বুদ্ধিজীবিদের চরম নির্যাতনে। ফাঁসির রায় কার্যকর হবার কারণে মানুষ খুশি। এবঙ শুকরিয়া আদায় করছে হাজারবার।

কৃতিত্ব বঙ্গবন্ধুকন্যার। তাঁকে জানাই হাজার সালাম।এভাবেই সফল নেতৃত্বে এগিয়ে নিন বাংলাদেশকে আরও বহুদূর। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীরা অাইনতঃ দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হউক। বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীমুক্ত বাংলাদেশ হউক। বাংলাদেশ হতে যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক বিলুপ্ত হউক।

জ—য় বাংলা।।

২২-শে নভেম্বর। ২০১৫ সাল।
ঢাকা। বাংলাদেশ।