ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

দেশজ ফল পেয়ারা রোজ রাখুন খাবার টেবিলে।।

পেয়ারা স্বাস্থ্যকর দেশজ ফল। রোজই খাওয়া উচিত। পেয়ারার গুণাগুণ অসীম। আপেলের অধিক গুণাগুণ দেশজ পেয়ারাতে। সারাবছর মেলে বাজারে আজকাল। বাড়িতে জায়গা থাকলে পেয়ারার একটি চারা লাগান। কাজী পেয়ারা ড্রামে লাগালে হয়। একটি গাছে পরিবারের সবার পেয়ারা জোটা কঠিন নয়। এখন অনেকেই বাড়ির বারান্দায় / ছাতের কোণে কাজীপেয়ারা ড্রামে লাগিয়ে ফল ভালোই পাচ্ছেন সহজে। যত্নআত্তি তেমন কঠিন না। চাইলে নর্সারী হতেই বিস্তারিত জানার পরে নিজের হাতে লাগানো গাছের পেয়ারা খেতে পারেন রোজ – যে কেউ।

পেয়ারা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ খুব। সহজে কোষ্ঠকাঠিন্য হতেও মুক্তি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি সহ আয়রণের ভালো যোগান দেয় পেয়ারা। একটি পেয়ারা খেলে অনেকক্ষণ ক্ষিদে পায় না। অর্থাৎ পেয়ারা ক্ষিদে মেটায়। পেয়ারার কথায় ছেলেবেলা এসেই যায় … বাবার বাগানে দাদীর হাতে লাগানো দুই দুইটি পেয়ারা গাছের তলে কত না দুপুর কেটেছে … কচকচে দারুণ সবুজ পেয়ারা ছিঁড়ে নিতাম ডালে চড়েই। নুন, মরিচ লাগিয়ে খেতাম বন্ধুরা এলেই। দিনগুলি হারিয়ে গেছে অনেক দূরে। এখন একলা দুপুরে কেনা পেয়ারা কাটি। বিকেলে খাই দুজনে। কেউ আসলে সেধে পেয়ারা কেটে খাওয়াতেও মন্দ লাগে না। স্বামী পেয়ারা কিনতে ভালোবাসেন। রোজ কেনেন। বেশি কিনলে কিছু পাঠাই মেয়ের বাড়িতে।

দেখেশুনে পেয়ারা ডাঁসা কিনতে হয়। তবেই তাতে অধিক সুফল পাওয়া সম্ভব। বুড়োরা খেতে পারেন পাকা পেয়ারা একটু গোলমরিচ, লেবু মাখিয়ে। পাকা পেয়ারা দিয়ে দারুণ জ্যাম, জেলিও ঘরে বানানো যায়। কে না ভালোবাসে পেয়ারার জেলি? রুটিতে, টোস্টে লাগিয়ে টিফিনে দেওয়া যায়। তো, মোদ্দাকথা – রোজ একটি পেয়ারা খাওয়া চাই সবার। সুস্বাস্থ্যে থাকার যোগান দেয় পেয়ারা। তাই, পেয়ারা খেতে ভুলবেন না কেউ। বাজার হতে পেয়ারা কিনে লবণ পানিতে ডুবিয়ে রাখবেন, তবেই জীবানুমুক্ত পেয়ারা পেয়ে যাবেন।

২৩-শে নভেম্বর। ২০১৫ সাল।
ঢাকা। বাংলাদেশ।