ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 
রোজ কলা খাওয়া স্বস্থ্যকর জীবন পাওয়া।।

আজকাল বাজারে কলা কিনতে লোকজন সাহস পায় না। কারণ কলাতেও ভেজাল ! কেমিকেল মেশানো কলাতে বাজার ছেয়ে রয়েছে। কলা ব্যবসায়ীরা যে উপায়ে কলার সংরক্ষণ করছে সেটি স্বাস্থ্যর হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। অথচ সবার রোজ একটি কলা খাওয়া উচিত বলেই ডাক্তারি অভিমত। তাহলে আমরা বাজার হতে ভেজাল কলা কিনছি বাধ্য হয়েই – অপরাধ আমাদেরই? যারা অপরাধের জন্য আসল দায়ী তাদের কি করা উচিত? তাদের ধরিয়ে দেয়া উচিত আইনের নিকট।

এদেশে কলা একটি সুপরিচিত সহজপাচ্য ফল। প্রাচীন কাল হতেই চাষাবাদ চলছে এইদেশে। কলার ফলন লাভজনক এইদেশে। এদেশে বিভিন্ন জাতের কলা রয়েছে। অন্যতম সাগর কলা, শবরী কলা, চম্পা কলার নাম সুপরিচিত। কলাতে প্রচুর আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম রয়েছে। শিশু এবঙ সব বয়সী মানুষ একটি করে কলা খাওয়া মানে স্বাস্থ্যকর জীবন পাওয়া। এদেশে কলা ব্যবসায়ীগণের শেখা জরুরী কলা কিভাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে সংরক্ষণ করতে হয়। জনস্বাস্থ্যের হুমকি এমন উপায়ে কলা বাজারে ছাড়া আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ। এমন ব্যবসায়ীদের শাস্তি হওয়া উচিত।

এদেশে কলা বিষয়ে খনার বচন জনপ্রিয় বলেই উল্লখ করছি –
“কলা রুয়ে না কেটো পাত /
তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।।”
অর্থাৎ কলা আবাদ করে কলাগাছের গোড়া কেটো না। তাহলেই আবার কলা পাওয়া সম্ভব। কলাচাষীরা তাতেই সারাবছর ভাত-কাপড় জোটাতে পারবে। সেকালে চাষীরা খনার বচন মেনে দারুণ লাভবান হয়েছে। আজও খনার বচন জনপ্রিয় এদেশে।

খনার বচন দিয়েই শেষ করছি কলা বিষয়ে লেখা।

* ছবিটি কেনা কলার ছবি, আমার তোলা। বাজার হতে কলার রঙ দারুণ দেখলে কিনবেন না। দাগধরা একটু হলুদ দেখেই কিনবেন। ভিনিগারে ভেজানো কাপড়ে জড়িয়ে মুছে শুকনো করে তবেই কলা খাবেন। তাতে কেমিকেলের প্রভাব কমে। *

নভেম্বর। ২০১৫ সাল।
ঢাকা। বাংলাদেশ।