ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

আজ আমার আবেদন সরকারের কাছে, দেশের শিক্ষাবিদগণের নিকট এই যে – বাংলাদেশের সকল শিশুর মনে দেশের বিদ্যাপিঠসমূহ জাগিয়ে দিতে সক্ষম হউক জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকার প্রতি সঠিক যথার্থ সন্মান প্রদর্শন করার বোধ। এমন আবেদনটি একা না, সন্মিলিত উদযোগেই করা উচিত – এমন ভাবছি বহুকাল। অথচ, আমি কেবল জানি লিখতে। তাই এখানে লেখাটি ভাবছি সমীচীন। হয়তো সরকারের / শিক্ষাবিদগণের নজরে পড়লে উদযোগী হবেন তাঁরা। বিষয়বস্তু কওমী মাদ্রাসায় কি শিখছে কোমলমতি শিশুগণ। সেথায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হতে সকল অত্যাবশ্যকীয় জাতীয় চেতনাসমূহ শেখানো হয় কি? ধর্মীয় শিক্ষাদানের পাশাপাশি যে শিক্ষা সকল শিশুর বোধে জাগিয়ে দেবার কাজটি শিক্ষকদের। শুনেছি, দেশের অনেক কওমী মাদ্রাসাগুলিতে জাতীয় সঙ্গীত কি জানে না শিশুগণ। অথচ, শিক্ষালয়ে প্রথমে ধর্মের বাণীর পরেই শপথ এবঙ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে যথাযথভাবে সন্মানের সহিত জাতীয় সঙ্গীতটি গাইতে হবেই শিক্ষার্থীদের। নইলে দেশাত্মবোধ জাগানো সম্ভব না। জাগে না সেটি শিশুর মনে – যদি না প্রকৃতভাবে শিক্ষার নিয়মে এ জাতীয় বোধগুলি / চেতনাগুলি শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবার সুযোগ প্রতিটি শিক্ষার্থী সঠিক পায়। আমিতো শিক্ষক নই যে এই কাজটি গ্রাসরুট থেকেই শুরু করবো। কেবল জানি যে – দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর শিশুরা শিক্ষা শুরুর পাঠ কওমী মাদ্রাসা হতেই পায় ও প্রতি বছর এদেশে লক্ষ কামেল তৈরী, তাদের পেশা হুজুর মসজিদের / শিক্ষক কওমী মাদ্রাসার। আমার কথা এই যে – সে নাহয় হউক। শুধু , জিজ্ঞাস্য যে – শিক্ষক যদি না হন জাতীয় চেতনাবাহী তবে তিনি যে শিক্ষাদান করবেন তা দিয়ে কোনও কোমলমতির মনে জাতীয়বোধ জাগবে কোনওদিন? এ প্রশ্ন করা কি অন্যায় আমার?

এই আমার আজকের জরুরী আবেদন রইলো সরকারের নিকট, শিক্ষাবিদগণের নিকট। এবারের বিজয় মাস হতেই দেশের সকল শিশু জাতীয়বোধ, জাতীয় চেতনাসমূহ পাঠ করতে শিক্ষা পাবার অধিকার লাভ করুক সরকারের জরুরী উদযোগে। দেশের শিক্ষাবিদগণের সঠিক শিক্ষাদানে।

ডিসেম্বর। ২০১৫ সাল।
ঢাকা। বাংলাদেশ।