ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার জোরে লক্ষ প্রাণের আত্মত্যাগে অর্জিত আমাদের প্রিয় বাংলাদেশটি কি এমন শত্রু কবলিত হয়ে পড়লো যে আজ খালেদা জিয়া জামায়াত-শিবির সমর্থকদের নিয়ে যুদ্ধের ডাক দিচ্ছেন ! আজ কি জনসাধারণ যুদ্ধ চাইছে ! না কি সংসদে না গিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনসভায় বিরোধী নেত্রীর ডাকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত আজ ! যখন বাংলাদেশ-এর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ! এবঙ যখন দেশের প্রায় তাবত রাঘব-বোয়াল স্বাধীনতাবিরোধী-রাজাকার-খুনী-যুদ্ধাপরাধী চক্র আজ বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়ে জেল-হাজতবাসি ! যাদেরকে এদেশে জঘন্যতম ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার পরে মেজর জেনারেল জিয়া ক্ষমতায় বসে বিএনপি দল গঠন করে সানগ্লাস আর সাফারি পরে খাল কেটে কুমিরের মতো ঢুকে পড়া নষ্ট রাজনীতি করার পথ তৈরী করে দিয়ে গেছেন। আর জিয়া হত্যার পরে খালেদা জিয়া বিএনপি চেয়ারপার্সন হওয়ার পর তারা আজ বিএনপি-র কাঁধে পা রেখে সিন্দাবাদের ভূত হয়ে চেপে বসেছে এমন যে জনগণের ভোটে বিরোধী নেত্রী নির্বাচিত হয়েও সংসদ বর্জন শুধু নয় দুই বতসরাধিক তিনি জনসভায় দেশের সংবিধান-সর্বোচচ আদালত-আইন নিয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়ে চলেছেন জামাত-শিবির সমর্থকদের নিয়ে!

দেশ আজ যখন প্রধানমন্ত্রীর জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতবদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর দিকে ধাপে-ধাপে অগ্রসরমান বলেই আমরা ঘরে বসেও দিব্যি মুহুর্তেই দৃশ্যমানভাবে পাই নেতানেত্রীরা কে কি বলছেন তখন কেন ও কি উদ্দেশ্যে বলছেন তা না বোঝার মতো বোকা নেই জনসাধারণ। ধোঁকাবাজির আর সামরিক ছত্রচ্ছায়ায় রাজনীতির সুযোগ এদেশে পুনরায় আসবেনা বলেই মনে হয়। যদি তেমন স্বপ্ন দেখেন কোনও রাজনীতির নামসর্বস্ব দল তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কেননা গোটা বিশ্ব আজ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধেই নয় সকল প্রকার সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে একাট্টা।

তবে কেন আমাদের বিরোধী নেত্রীর এমন অস্বাভাবিক আচরণ-বচন ! কি মানে তাহার নিশ্চয় বোদ্ধা মাত্রেই বুঝে যাবেন পরিষ্কার। অন্ততঃ নিতান্ত শিশু/পাগল না হলে না বোঝার কোনও কারণ দেখিনা !

২০-১০-২০১১ইং