ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাংলাদেশ তার জন্মলগ্ন থেকেই যুদ্ধরত হাজার অশনি ও হাজার সমস্যাজালে জড়ানো অস্তিত্বের সনে। পাকিজান্তার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ডাকে জাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষে একীভুত স্বাধীনতা-সংগ্রামে সাড়ে সাতকোটির সমর্থনায় ১৯৬৯-১৯৭০ এর সেই গণজাগরণের জোয়ারের ঐতিহাসিক রায়ের কথাই বারবার মনে পড়ছিলো যখন টিভিতে নারায়নগঞ্জের জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের চিত্র দেখছিলাম। কেন জানিনা বঙ্গবন্ধুর বজ্র নেতৃত্বের অজর দৃশ্যপট হৃদয়ে ভেসে উঠছিলো আর আইভি-র অনমনীয় সহজিয়া নেতৃত্বের প্রতি জনরায়ের ফলাফল দেখেও দুচোখ ক্যামন ভরে উঠছিলো।

আহ কতকাল এমন জঙ্গীমুক্ত-সন্ত্রাসমুক্ত-ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে সেনা মোতায়েন ছাড়াই একটি সুন্দর-সুষ্ঠু নির্বাচন দেখিনি ! আহ কতকাল এভাবে জনগণের নেত্রীর ‘পরে অবিচল আস্থা দেখিনি ! তাও কি না দোর্দন্ড প্রভাব বিস্তারি নেতার বিরুদ্ধে একজন সহজ নেতৃত্বের জনপ্রিয়তা অর্জনকারী নারী নেত্রী ! যিনি তাঁর কাজের বিশ্বস্ততার জোরেই জনপ্রিয় হয়েছেন। এবঙ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। এদেশে আজ এমন আইভি-র বিষম প্রয়োজন। প্রার্থনা প্রজন্মের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসুক আরও অনেক আইভি। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাক যোগ্যতর গণতান্ত্রিক ধারায়।

আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ দীপুমনি, সরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শ্রমমন্ত্রী মন্নুজান এবঙ এই প্রথম একজন মেয়র পদে আইভি নারী নেতৃত্বের জয়বার্তা পৌঁছে দিলেন বিশ্বময়। এ নিশ্চয় আনন্দনের। এ নিশ্চয় নারীর ক্ষমতায়নের পথেই আরও এগিয়ে যাওয়ার পদধ্বনি। এ নিশ্চয় বাংলাদেশেও যে ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগে এক অবাধ সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন সম্ভব তার জ্বলন্ত উদাহরণ। এ নিশ্চয় শেখ হাসিনা-র প্রতিশ্রুতবদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর দিকে অগ্রসরমানতার প্রমাণ। সব শুত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে দৃঢ়চিত্তে তিনি জয় করুন সকল অশনি।

আর হার্দিক শুভেচ্ছায় বলিঃ জয়তুঃ মেয়র আইভি, জয়তুঃ বাংলাদেশ।