ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

আজ ২৪ জানুয়ারী। ১৯৬৯-এর এই দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৬ দফাসহ সন্মিলিত ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলনরত আয়ুব-বিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে আয়ুব-সরকারের ইপিআর বাহিনী গুলি ছোঁড়ে। আর সেদিন মিছিলের প্রথমে থাকা ‘নবকুমার ইন্সটিটিউশন’-এর দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান শাখার মেধাবী ছাত্র মতিউর প্রথমেই গুলিবিদ্ধ হয় ও রাজপথেই শহীদ হয়। তার সঙ্গে শহীদ হয় রুস্তম, মকবুল ও আরও কয়েকজন। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার ডাকসু-ভিপি তোফায়েল আহমেদ ও ১১ দফার কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা। তাইতো তখনই এই অমানবিক হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অগ্নিউত্তাল শপথে গর্জে ওঠে ঢাকা সহ গোটা দেশ ও জাতি। জাতি আর তারপরে আয়ুব খান-এর কারফ্যু মানেনি।

তারই ধারাবাহিকতায় ২২ ফেব্রুয়ারী গণদাবীর জোয়ারে সাজানো আগরতলা-ষড়যন্ত্র-মামলা-র প্রধান আসামী শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য আসামীদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় আয়ুব-সরকার। আর ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষ ছাত্র-জনতার ‘জয়বাংলা’ জয়োধ্বনিমুখর রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান-কে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এবঙ ১৯৬৯-এর ২৫ মার্চ আয়ুব খান গদি ছাড়তে বাধ্য হয়।

আজ সেই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-এর ঐতিহাসিক স্মরণে হৃদয়াবনত শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই শহীদ মতিউর, রুস্তম, মকবুল ও নাম না জানা বীর ভায়ের জন্য। জয়বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। জয় বাংলাদেশ।

২৪ জানুয়ারী ২০১২ইং
* হৃদয়ে বাংলাদেশ, ভুলের জন্য ক্ষমা কাঙ্ক্ষিত, এবঙ ভুলটি সংশোধন করে আপডেট করে নিলাম। ২৫ জানুয়ারী ২০১২ইং *