ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

 

পৃথিবীর অনেক প্রানী আছে, আছে অনেক পশুপাখী। আমি আমার বাল্য জীবন থেকে কবুতর লালন পালন করি শুধু পশুপাখী আমাকে টানে আজ আমি ঢাকায় আমার বাড়িতে আমার কবুতর গুলো কে আমি দেখতে পাই না। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো আমার বয়স যখন ৫ বছর তখন আমি এবং আমার ফ্যামিলি সবাই মা এর চাকুরির কারনে কোয়াটার থাকতাম। আর আমার জীবনের পশুপাখি পালন টা ওখান থেকে শুরু। আমার তখন প্রায় ৩০ টার মতো কবুতর ছিলো আর আমাকে বাবা আর মা বলল আমরা বাড়িতে চলে যাবো মা এর ট্রান্সফার হয়েছে আমি তো আর এত বুঝি না তখন সবকিছুর সাথে আমার কবুতর গুলো ও প্যাক করা হলো আমরা আমাদের বাড়িতে আসলাম বাবা বললো কবুতর গুলোর ঘর খুলে দাও আমি বললাম চলে যাবে কিন্তু বাবা বললো যাবে না ওরা দল ধরে আছে তো তাই……….অতপর ছাড়লাম ওদের ঘর কিছুক্ষণ এদিকে ওদিকে তাকিয়ে সবাই একসাথে উড়ে গেলো সেই আমরা যেখানে থাকতাম কোয়াটার এর এলাকায়। পরে বাবার সাথে গিয়ে খবর নিলাম সবাই আমার ওসহায় কবুতর গুলো কে ধরে নিয়েছে। এক টা শুধু একজন মানুষ আমকে ফিরিয়ে দিয়েছিল।

যে আমাকে আমার একটা কবুতর ফিরিয়ে দিয়েছিল সে আমাকে অনেক আদর করতো আমি সারাদিন তাদের বাড়িতে গিয়ে থাকতাম আর আমি আমার বাড়ি তে এসে আবার কবুতর পালা শুরু করি বাবার ফার্ণিচার এর ব্যবসা থাকার কারনে ভাল কবুতর এর ঘর পাইতাম বাবার মিস্ত্রীরা বানাই দিতো। একদিন ওই দাদা আমাদের বাড়িতে এসে হাজির আমাকে দেখতে আসছে বলে আমার জন্য একটা বোম্বাই কবুতর নিয়ে এসেছে আমি অনেক আনন্দিত হলাম দাদা চলে গেলেন তার কিছুদিন পর এ শুনলাম ওনার ব্লাড ক্যান্সার হয়ে মারা গেছেন। আর ওনার দেওয়া কবুতরটা আমার কাছে অনেক দিন ছিল হঠাৎ একদিন আমি পরীক্ষা দিতে ষ্কুলে যাই আর আমার বোম্বাই কবুতর টা মাটিতে নেমে খাচ্ছিলো ওর খাবার আমাদের পাশের বাড়ির ওঠানে পাশের বাড়ির কুকুর টা ওকে আঘাত করে আমি বাড়ি এসে দেখি ওর অবস্খা অনেক খারাপ এর পর কিছু দিন পর ওর মৃত্যূ হয় একজন মানুষের দেওয়া ভালোবাসা হারায় সাথে ওনাকেও

বি:দ্র : বন্ধুরা আপনারা কিছু মনে করেবেন না আমার জীবনের একটা অংশ আমি আজ লিখলাম এমন অনেক অবাক ঘটনা ঘটেছে আমার সাথে আপনারা চাইলে লিখবো।