ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আমাদের দেশের তৃণমুল পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মীরা কতটুকু আদর্শিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত? তারা মানুষের কল্যাণে কোন ভূমিকা রাখে। তাদের একমাত্র লক্ষ্য দল ক্ষমতায় গেলে তারা যেন এলাকায় প্রভাব খাটাতে পারবে। থানায় দালালি, রাস্তাঘাট মেরামতের নামে যে টাকা আসবে তার একটা হিস্যা পাবে। টেন্ডারবাজি, কালোবাজারি আরো এই ধরনের কাজ করবে। আর সাধারণ মানুষ তাদের কাছে কমবেশি জিম্মি থাকবে। এই হচ্ছে তাদের রাজনৈতিক দর্শন। এটা হলফ করে বলা যেতে পারে যে জনকল্যাণে বা মানুষের আশা আকাঙ্খা পুরণে তাদের কোন ভূমিকা থাকে না। সাধারণ মানুষের কাজ হল পাঁচ বছর পর পর ভোট দেয়া। কে নির্বাচিত হলেন, কে হলেন না তাদের মাথাব্যাথা থাকে না। যখন কিছু টাকা পায় বা এক কাপ রং চা পায় ছুটে যায় মিছিলে। তবু তাদের সামান্য আশা আকাঙ্খা থাকে যে দল ক্ষমতায় গিয়ে তাদের সাধারণ জিবন যাপনে হয়ত একটু রঙ লাগবে। একটু স্বাচ্ছল্য আসবে পরিবারে। এই তো? এখন দেখা যাক নির্বাচিত হয়ে আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কি করে। নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য থাকে নির্বাচন করতে যে টাকা ব্যায় হয়েছে তা তুলে নেয়া। আর এই টাকা তুলতে তারা যেসব পদ্ধতি (অবশ্যই অনৈতিক) ব্যবহার করে তাতে সাধারণ মানুষের কোন কল্যাণ থাকে না। তারা তো আর সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি না। তারা প্রতিনিধি ওইসব টেন্ডারবাজদের, ওইসব দুষ্কৃতিকারীদের যারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকে; ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে।
আর এদের প্রতিনিধি এইসব সাংসদরা দেশের জন্য কি নীতি প্রণয়ন করবে? তাই দুষ্কৃতকারীদের প্রতিনিধিরা জনপ্রতিনিধি সেজে সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলবে। আজ বোধ হয় সময় এসেছে। দেশের সবকিছু এদের হাতে ছেড়ে দেয়া যাবে না। এখন সিদ্ধান্ত আপনার।