ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

ক্রমেই অবাক হচ্ছি অর্ধ শতাব্দী প্রাচীন আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা হীনতা দেখে। তাল হারিয়ে টলতে টলতে তলানীতে পৌছে ও বিন্দুমাত্র বিনয় প্রদর্শন করছেন না সভানেত্রী। সংসদে আইনপ্রণেতাদের নিজ দলের মন্ত্রীদের সমালোচনা করতে দেখে পুলকিত হয়েছিলাম সেদিন, যে অবশেষে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্র শিখছি। কিন্তু সে সব বিবেকবান সাংসদদের আজ এক হাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন এত ও তাড়া কিসের, সবে দুই দশক হল- সংসদকে এত তাড়াতাড়ি কার্যকর করার কি দরকার, এখনো সময় হয়নি, আর একটু উপভোগ করি তারপর না হয়…।

প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা হিসেবে এভাবে নিজ দলের সাংসদদের প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে নিরুৎসাহিত করার পর ও ঐ পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন বললে বোধ হয় ভুল হবেনা। বিপর্যস্ত দলকে বাঁচাতে ত্রাণকর্তা সৈয়দ আশরাফের কৌশলটাও দারুণ। মানুষের মনো্যোগ সরাতে অপ্রাসঙ্গিকভাবে সামনে নিয়ে এলেন তার নেত্রীর নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রশ্ন। তাতে কাজও হওয়ার কথা, নিদেনপক্ষে এই দুঃসময়ে ঘরের লোকেদের সহানুভূতি তো পাওয়া যাবে। কিন্তু আজ যেভাবে প্রধানমন্ত্রী তাদের পাহাড় সমান ব্যর্থতাগুলো ছোট ছোট সমস্যা বলে মানুষের দুর্ভোগের প্রতি যে তার ভয়ংকর রকম নির্বিকারত্ব প্রকাশ করছেন তাতে কোন বিবেকবান মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। সৈয়দ আশরাফের বোধ হয় নেত্রীকে রক্ষার অন্য কোন উপায় খোজ করা উচিত।