ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ঢাকায় একাধিক জাল টাকা ব্যাবসায়ী চক্র সক্রিয়। নানান কৌশলে তারা জাল টাকা বিপনন করে থাকে। মাঝে মাঝে এই চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার হলেও, এর মুল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। গত ০২-০৩-২০১২ ইং তারিখে তেমনি এক জালনোট ব্যবসাই চক্রের নারী সদস্য আটক করে মিরপুরের এক দোকান মালিক এবং এলাকাবাসী।আবার সারও পেয়ে জায় পুলিশ সোরসের সহযোগিতায়।

মিরপুর থানার আওতাধীন ১৫৮, মধ্যপাইকপাড়া “রিপন জেনারেল ষ্টোর” এ রাত আনুমানিক ৮;২০ মিনিটে ১ কেজি চাল, একটি সাবান ক্রয় করে ১০০০ টাকার একটি জালনোট প্রদান করে, দোকানের মালিকের সন্দেহ হলে মেয়েটিকে আটক করে।পরে তাকে জেরা এবং তল্লাশি করলে সন্দেহ আর প্রবল হয়ে ওঠে।মেয়েটির নাম ইসমিন বয়স আনুমানিক ২০-২২ বছর।তার নামের সত্তা জাচাই করা জায়নায়, তার ব্যগ থেকে বিভিন্ন প্রকার কাগজ পাওয়া যায়, জার মধে¨ বন্দী নুরুল হক এর নামে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পন্য সরবরাহের বিল, বেশ কয়েক জন এ্যাডভোকেট এর ভিজিটিং কার্ড। মিরপুর থানায় বিষয়টি যানানো হলে থানা থেকে মেয়েটিকে আটক রাখার অনুরোধ করে।কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

৯;৩০ মিনিটে হালিম নিজেকে পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে মেয়েটি থানায় নেওয়া হবে বলে একটি রিকশা যোগে নিজ হেফাজতে নিয়ে যায়।

মেয়েটি হালিমের হাতে হস্তান্তর এর বিষয় দোকান মালিক রিপন যানায় “হালিম এসে বলে তাকে থানাথেকে পাঠিয়েছে,আসামিকে থানায় নিয়ে জাওয়ার জন্য।“ রাত ১১;১০ মিনিটে থানায় খবোর নিয়ে জানা যায় তখন পরযন্ত কোন নারী থানায় আটক নাই।

• তাহলে প্রশ্ন মেয়েটি কোথায়?
• পুলিশ সোর্স কি জালনোট ব্যাবসায়ী চক্রের সাথে জড়িত?

সোর্স হালিমের মোবাইলে ফোন করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি মিরপুর থানার ডিউটি অফিসারকে আবার জানান হলে , থানা থেকে এ স আই আসরাফের মোবাইল নম্বর দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ কার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু তাকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

কে এই হালিম ?
১ বছর আগ পর্যন্ত মাদক(ফেন্সিডিল) ব্যাবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিল অত্র এলাকায়,পুলিশ এবং র‌্যাব একাধিক বার তার বাসা থেকে মাদক উদ্ধার এবং গ্রেপ্তারেরও সম্মুখিন হতে হয় তাকে। মাস ৬ আগ থেকে নিজেকে পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করে এবং পুলিশের সাথে তার সক্ষ্য পরিলক্ষিত হয়। পুলিশের ভয় দেখিয়ে মধ্যপাইকপার মাদক ব্যবসায়িদের থেকে প্রতিদিন চাদা আদায় শুরু করে। ব্যবসায়ের ধরনের উপর চাদার পরিমান নির্ভর করে। ইয়াবা ব্যবসায় প্রতিদিন ৫০০ টাকা এবং গাঁজা ব্যবসায় প্রতিদিন ৪০০ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদক ব্যবসায়ি বলে, “হালিমকে প্রতিদিন ৪০০ টাকা না দিলে আমাকে পুলিশে ধরিয়ে দ্যায়, তাই আমরা বাধ্য হয়ে তাকে টাকা দেই।“