ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

বয়সের কারণে ডঃ ইউনুসকে অপসারণ, তাহলে এই লোক গুলোরও কি অবসরে যাওয়া প্রয়োজন নয়?


ডঃ ইউনুসকে অপসারণ করা হয়েছে বয়সের কারণে। আওয়ামী লীগের গত আমলে বায়তুল মোকাররমের সর্বজন শ্রদ্ধেয় খতিব মাওলানা ওবায়দুল হককেও অপসারণ করা হয়েছিল বয়স শেষ দেখিয়ে। পরে মুসলিম জনতার প্রতিবাদ ও তৎকালীন হাইকোর্টে রিট করে তিনি বহাল ছিলেন। এবার কিন্তু আমাদের আদালত আওয়ামী লীগের কথা শুনেছে। বয়স শেষ তাই ডঃ ইউনুস আর গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে থাকতে পারবেন না। অবশ্য না শুনে বিচারকদের কোন উপায়ও নেই। এটর্নি জেনারেলের কথার বাইরে খুব বেশী এখন আর কেউ যেতে চান না। যেতেও পারেন না।

এবার উপরের ছবি গুলো দেখুন, গত শনিবার রাজধানীর প্লানার্স টাওয়ার মিলনায়তনে স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার ফোরাম আয়োজিত এক গোলটেবিলে আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর। আলোচনা সভার বিষয় ছিলো- ‘রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও প্রশাসন ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস দিন বদলের প্রাথমিক পদক্ষেপ’। সেই সভাতেই তিনি ঘুমিয়ে পরেছেন। উনার বয়স অবশ্য ৭০ এর উপরে এখন। “দিন বদলের পদক্ষেপের আলোচনা” সভাতে যারা ঘুমিয়ে যান তাদের কি অবসরে যাওয়া উচিত নয়? তারা কিভাবে সংসদীয় কমিঠির সভাপতি থাকেন? তারা কিভাবে মন্ত্রী থাকেন? তারা কেন সংসদ সদস্য হিসেবে থাকবেন?