ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

মধু মাস দ্রুত গতিতেই যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে।ওনারা আটকে রাখতে পারছেনা সেটা ঠিক কিন্তু আখের গোছানো এতদিনে আর বাঁকী নেই।ভেজাল ফলমূল বিক্রি করে যে যার মতো করে নিজেদের পকেট ভারী করে নিয়েছে সারা বছরের জন্য।তারা যেন একরকম ঝাপিয়ে পড়েছিল কেমিক্যাল যুক্ত আম বিক্রিতে। দীর্ঘদিন ধরেই এ সবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দিক থেকেই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল।
শেষ পর্যন্ত সরকার জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর ফুটপাত থেকে আমের মেলা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে।এ সময়ের মধ্যে এসব মেলার দোকানিরা নিজ উদ্যোগে দোকান না সরালে সিটি করপোরেশন ও ঢাকা মহানগর পুলিশ যৌথভাবে এগুলো অপসারণ করবে। কিন্তু সচেতন মহলের প্রশ্ন সরকার দলীয় যে সব নেতাদের ডিসিসি থেকে বৈধ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ওনারা ‘সরকারের এই নির্দেশের’ আওতাভুক্ত হবে তো?যদি আওতামুক্ত তাহলে আষাড়ে গল্পের বিকল্প হবে না।

ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, পান্থপথসহ বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতে আমের মেলা চলছে। কিছু মেলা চলছে বরাদ্দ নিয়ে। এ মেলা করতে বিভিন্ন থানা ছাত্রলীগের নেতাদের নামে এই ফুটপাত এক মাসের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিণ। কিন্তু ওই সময় ইতিমধ্যে পেরিয়ে গেলেও মেলা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ফুটপাত দখল করেও অন্য ব্যবসায়ীরা আমের মেলা চালিয়ে যাচ্ছে।ফুটপাতে এসব মেলার কারণে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির পাশাপাশি ভয়বহ যনজট হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এসব দোকান সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে।
রাজধানীর যানজট নিরসন নিয়ে সোমবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক উল্লেখিত নির্দেশসহ এসব মেলা বরাদ্দের নির্দেশ কারা কোন প্রক্রিয়ায় দিয়েছিলেন, এর ফলে কারা লাভবান হয়েছেন, সেটিও খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।।

আমরা অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছি মন্ত্রীর নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখার জন্য।।