ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আপনি এখন কি বলবেন ? র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও আপনার করিৎকর্মা পুলিশ বাহিনীও আপনার মন্ত্রনালয়ের অধীন।এখন র‌্যাবের পক্ষে না পুলিশের পক্ষে কথা বলবেন ।বিভিন্ন সময় গনমাধ্যমে আপনি পুলিশের সম্পর্কে বলেছেন ‘পুলিশ এখন আগের চেয়ে অনেক ভাল’।এটাই সেই ভালোর পরিচয়……….? তাহলে কি তারা এখনো সেই পুরনো অভ্যাস বদলাতে পারেনি? না কি? প্রকাশিত ঘটনাটি রীতিমতো গা শিউরে ওঠার মতো।এরপর পুলিশ কে আর কি উপাধীতে ভূষিত করবেন।

যশোরের সাংবাদিক জামাল উদ্দীন হত্যার পরবর্তী সময়ে মূল আসামী তোতার সঙ্গে পুলিশ কনেস্টেবল শহিদ এবং এএসআই মাসুদুর রহমান যে কথাগুলো বলেছেন তার রেকর্ড সংগ্রহ করেছে র‌্যাবের গোয়েন্দারা। যে যতই চালাকি করে অপরাধ করুন তার কিছু নমুনা থেকেই যায়।আর র‌্যাব তার কিছু আলামত উদ্ধার করেছে যা মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে। পুলিশ জনগনের বন্ধু হওয়া দূরের কথা এসব প্রতিবেদন পড়েই বোঝা এখন পুলিশ কার পক্ষে কাজ করে।যে সন্ত্রাসীদের দিয়ে পুলিশ সাংবাদিক খুন করাচ্ছে সেখানে আস্থার পরির্বতে ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই জন্ম নিবে না। ছি!ছি!ছি!

যশোর জেলা পুলিশের নিকট এ.এস.আই মাসুদ যেন ধোয়া তুলশির পাতা স্বরূপ। তার বিরুদ্ধে এমন কোন অভিযোগ থাকেই পারেনা এবং জেলা পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা মাসুদুরের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ মানতে একেবারেই নারাজ। তাঁদের দাবি,চোরাকারবারিরাই সবকিছু করেছেন।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফারুক হোসেন বলেছেন ‘পুলিশ কি মার্ডার করে? এর কোনো এভিডেন্স আছে?’
মাসুদুরের পক্ষে একই কথা বলেছেন জেলার পুলিশ সুপার কামরুল আহসান। তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে গৌরপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জের অভিযোগ আমরা পেয়েছিলাম। একজন এএসপির নেতৃত্বে এ ঘটনা তদন্ত করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, ঘটনার সঙ্গে মাসুদুরের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।’ এজাহারভুক্ত আসামির সঙ্গে মাসুদুরের টেলিফোনে কথা বলার ব্যাপারে পুলিশ সুপার বলেছেন,‘এটা সাজানো হতে পারে।’

তাহলে র্যাতবের নিকট যে ফোনালাপ রয়েছে তা কি মিথ্যা?মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী যে পুলিশ জনগনের নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে খুনিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মানুষ খুন করার উৎসাহ যোগাচ্ছে সেই অসৎ পুলিশ আর কতদিন সরকারী টাকায় ভরন-পোষন করবে,আর কতদিন তাদের চাকরিতে রাখবেন? জনগনের টাকায় তারা বেতন পায় আর তাদের নিপাত করছে?না-জানি সেই সব পুলিশ কর্মকর্তার হয়তোবা কোন লম্বা হাত রয়েছে তাছাড়া এতবড় লোমহর্ষক ঘটনার পরও কি প্রক্রিয়ায় তারা চাকরিতে বহাল রয়েছে?

আমরা এই ঘটনার দ্রুত একটা সুফল দেখতে চাই।