ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

আজ সকালে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে মন্তব্য প্রতিবেদন পড়ছিলাম। প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘তেল পুড়বে, রাধাও নাচবে নিশিকান্ত আসিবে কি?’ প্রতিবেদক জনাব নঈম নিজাম অনেক তেল পুড়িয়ে মহান কিছু প্রম্নের অবতারনা করেছেন। এই প্রশ্নের মধ্যে সবচেয়ে জটিল এবং সরস প্রশ্ন হইতেছে ‘নঈম নিজাম কোথায় আছেন?’ জ্ঞান অর্জনের প্রথম ধাপে এই প্রশ্নের উত্তর জানা নাকি জরুরী, না জানলে প্রতিদিনের বাংলাদেশ মনে করবে আপনি নিতান্ত মুর্খ । জ্ঞান বৃক্ষের ধারে কাছ দিয়া আপনি হাটেন নাই।পত্রপত্রিকা পড়েন না, গল্প-উপন্যাস তো দূরের কথা। নঈম নিজাম বয়ান পড়েন ‘কিছুদিন আগে এক সিনিয়র মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলো শেখ মারুফের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে। জানতে চাইলেন, আমি এখন কোথায় আছি। অবাক হলাম। বিস্মিত হলাম। তবে হতাশ হলাম না। কারণ এটাই আওয়ামী লীগ। বিরোধী দলে এক রূপ, ক্ষমতায় আরেক রূপ। আর পড়াশোনার স্তরও অতি উঁচু নয়। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীকেই সবকিছু দেখতে হয়।’ মূর্খ মন্ত্রীর অবস্থা দেখেন-নঈম নিজাম কোথায় আছে জনেনা।

আচ্ছা আপনারা কি ইন্দিরা গান্ধীর সিঁথির সৌন্দর্য বোঝেন, বেনজির ভুট্টোর ‘ডটার অব ইস্ট’ সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে, মার্গারেট থ্যাচারে কি বস্তু জানেন?তাইলে পড়েন ‘সরকারের অনেক মন্ত্রী কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বিপরীত। অনেক নীতিনির্ধারক মন্ত্রী পত্রপত্রিকা পড়েন না। জীবনে গল্প-উপন্যাস তারা ছুঁয়ে দেখেননি। পাঠ্যবইয়ের বাইরে কেউ ভূগোল-ইতিহাস পড়েননি। ইন্দিরা গান্ধীর সিঁথির সৌন্দর্য তারা বোঝেন না। বেনজির ভুট্টোর ‘ডটার অব ইস্ট’ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। মার্গারেট থ্যাচারে না-ই বা গেলাম। অনেক মন্ত্রী আছেন, যারা নিজের মন্ত্রণালয়েরও খোঁজ রাখেন না।’