ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বুধবার। বেলা ৩টা তখনও বাজেনি, মিনিট পাঁচেক বাকি। তেজগাঁও থানার মূল ফটক পেরিয়ে ভবনের সিঁড়িতে পা রাখতেই ডিউটি অফিসারের কক্ষ থেকে অশ্লীল কিছু শব্দ শোনা গেল। গিয়ে দেখা যায়, ডিউটি অফিসার এসআই আবদুল মতিন খিস্তিখেউর করছেন। পাশে বসা এএসআই আব্বাসের পেছনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে চার মহিলা। তাদের উদ্দেশেই আবদুল মতিন শব্দগুলো ছুড়ছিলেন। শব্দবাণে জর্জরিত মহিলারা কাঁদছেন। এসআই মতিন যখন দম নিচ্ছিলেন, এএসআই আব্বাস তখন শুরু করেন, ‘আকাম করস, ঠিকানা কইতে পারোস না? আমাগো লগে কথা কইতে লজ্জা লাগে! ওই… (কুরুচিপূর্ণ হওয়ায় ছাপা গেল না) কথা কস না কেন?’

এসআই মতিন এ সময় চিৎকার করে অফিস ডিউটিকে (কনস্টেবল) ডেকে বললেন, ‘….গুলারে নিয়া হাজতে ঢুকা’। কনস্টেবল তাদের হাজতখানায় নিয়ে যায়। এ সময় কোনো মহিলা পুলিশকে সেখানে দেখা যায়নি। জানা যায়, নাসরিন, খাদিজা, জাহানারা ও পারুল নামে ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়েসী ওই চার জনকে ফার্মগেট এলাকা থেকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দুপুরে এসআই শাহ আলম তাদের আটক করে থানায় আনেন। শাহ আলম জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই মহিলারা নানা প্রতারণামূলক কাজ করছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে তারা এ প্রতিবেদককে জানায়, তাদের রাস্তা থেকে ধরে এনেছে পুলিশ। এ বিষয়ে এসআই মতিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি এএসআই আব্বাসকে দেখিয়ে দেন। এএসআই আব্বাস এ সময় ইতস্তত করে বলেন, ভাই, শুধু নাম নেন। আর কিছু দেওয়া নিষেধ।

বিস্তারিত