ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

২০০১ এর রমনার বটমূলে সংগঠিত নৃশংস নির্মম বোমা বিস্ফোরণ এর রায় হলো আজ ১৩ বছর পর। তাও সকলের ফাঁসির রায় হয়নি, যাবজ্জীবন এর রায় ঘোষিত সাথে বেশীরভাগ ই পলাতক। রায় কার্যকর হবে কিনা আর হলেও আর কত বছর পর তা নিয়ে নিঃসংশয় থাকতে পারছি না। কাল নিজামীর রায় ঘোষিত হবে ৪৩ বছর আগের নৃশংস নির্মম অপরাধের। সেই তুলনায় রমনার বিস্ফোরণের রায় খুব তাড়াতাড়ি ই পেয়েছে এই জাতি। নিজামীর রায় নিয়ে আমার কোন আশাবাদ নাই। যাকিছু আন্দোলন দিয়ে অর্জন করতে হয় তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকারের থেকে এই দেশে তা নিয়ে আশাবাদী আর হতে পারি না। রায় যদি ফাঁসি হয় তো ভালো আর যদি তা না হয় তো এই জাতি কিইবা করতে পারবে? সেই শাহবাগ, প্রেস্ক্লাব গরম করে বক্তৃতার ঝড় উঠবে বড়জোড় কিন্তু তাতে স্বৈরাচারীর কিছুই যায় আসে না। মাঝে মাঝে ভাবি আসলে কয়জন মানুষ এই দেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের হিসাব বুঝে? আর যারা বুঝে তারাও বা কতটা সচল সেই বিচারের দাবী তে??? এই দেশে যুদ্ধাপরাধী দের ফাঁসির রায় কার্যকর করার থেকে ধান্দা বেশী জরুরী। জনতার থেকে ক্ষমতা বেশী প্রিয়, রাজপথ থেকে দালালী আর অট্টালিকা বেশী প্রিয় সেই বুঝদার মানুষ গুলোর কাছে। বাকী যারা নিঃসন্দেহে নির্মোহ দেশপ্রেম এর তাগিদে এই দেশের যুদ্ধাপরাধী- রাজাকার গুলার ফাঁসি চায়, ফাঁসি কার্যকর হওয়া দেখতে চায় তারা কেবল ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা হয়েই লাফাতে থেকে যায়…! আমৃত্যু তারা এমন ই থেকে যাবে তা ভাবি না বরং ভাবি সেই নির্মোহ মানুষ গুলো ই সমস্ত প্রাচীর ভেঙ্গে একদিন সুবিচার আদায় করে নিবে। সেই সু সময়ের অপেক্ষায়, সেই সু সময়ের প্রতীক্ষায় রইলাম…
জয় বাংলা…
জয় জনতা…
মেহনতি মানুষ এর জয় হোক…