ক্যাটেগরিঃ প্রবাস কথন

 

আমাদের প্রবাসী ভাইজনদের অভিযোগ অবশেষে প্রমাণিত হইল , আমাদের অবহেলার কারণে প্রবাসীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তা বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে বুধবার শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক বৈঠকের পর প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী স্বীকার করলেন। তিনি বলেছেন , মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রবাসীদের যে চাহিদা- তা পূরণ করতে মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশি মিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত শ্রম কর্মকর্তারা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন না। মন্ত্রণালয়ের দুর্বলতার কারণে বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে , এই ধারা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহে বিরূপ প্রভাব পড়বে।

আমাদের মিশন সমূহে শ্রম কর্মকর্তা নিয়োগের সময় শুধু মাত্র একটা মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। এতে তার পড়া শুনা এবং ইংলিশ বলার ক্ষমতা যাচাই করা হয় কিন্তু দেখা হয়না তার সততা ,সুনাম , ডেডিকেশন – কমিটমেন্ট এবং দেশপ্রেম। যে বিদেশে যেয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি এবং শ্রমিকের কল্যাণকে আমানত স্বরূপ মনে করবে , মনে করবে আমার দেশের একটা শ্রমিকের একফোঁটা ঘাম , একফোঁটা চোখের পানির জন্য আমি দায়ী থাকবো। কারণ দেশের সুনাম এবং তাদের কল্যাণ দেখার জন্যই আমাকে পাঠান হয়েছে , অর্থ উপার্জনের জন্য নয়। একজন সরকারি কর্মকর্তার বিগত কর্মজীবনের রেকর্ড খুজলেই উপরের শব্দ গুলি প্রযোজ্য কিনা তা অতিসহজেই বের করা যায়। তা করা হয় না বলেই বিদেশে আমাদের স্বার্থ মারাত্মক ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে যা ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন। ডেডিকেটেড এবং কমিটেড কর্মকর্তা খুজে বের করে পোস্টিং দিন দেখবেন তিন মাসের মধ্যে সব কিছুর আমূল পরিবর্তন হয়েছে।