ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

যদিও ইহা জানিয়া গিয়াছি যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কস্নিনকালেও ব্লগ পড়িবেন না। তথাপি, আশা-জাগানিয়ার দোলাচালে মানুষ বাঁচিয়া থাকে হেতু, এক ভদ্রলোকের কাহিনী তাঁহাকে শুনাইয়াছিলাম, সঙ্গে আম জনতা তো রহিয়াছেই। সেই মহান হৃদয় ভদ্রলোক, যিনি পাখির গান, ফুলের সৌরভ, নদীর কূলকুল ধ্বনি, আকাশ-বাতাস আর মাটিকে যেমন ভালবাসিতেন, তদ্রুপ বাসিতেন মানুষকে। কৌতুক করিয়া ভদ্রলোকের পরিচয় গোপন রাখিতে যাইয়া নিজেই কৌতুকের স্বীকার হইয়াছি মর্মে প্রতীয়মান হইতেছে। আমার প্রকাশ ভঙ্গিতে, তাঁহাকে যে কেহ চিনিতে পারিবেনা ইহা কল্পনাও করিতে পারি নাই। হতবাক আর বিমুঢ় হইয়া ভাবিতেছি, ডিজিটাল যুগের কেরামতিতে ভুল করিয়া ব্লগটি পড়িয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁহাকে চিনিতে পারিবেন তো?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শুনুন এক ভদ্রলোকের অজানা কাহিনী ব্লগটিতে শ্রদ্ধেয় ব্লগারগণ সেই ভদ্রলোকের পরিচয় সম্পর্কে যাহা মন্তব্য করিয়াছেন, তাহার সকল দায়ভার আমার । সে সম্পর্কে কিছু-কিছু না বলিলেই নহে । কেহ বলিয়াছেন,

– তার অবস্থান মিন্টো রোডের আশপাশে

– নিয়মিত meditation করেন খুঁজেও পেতে পারেন

– তবে আমাদের ক্যারিশম্যাটিক যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের হলে হয়তো ভিন্ন কথা

– যাকে (মৃত্যু: ১৯৩০) খুঁজছে, তাঁর একটা মূর্তি আছে, কোলকাতা বিদ্যাসাগর সেতুর সামনে

– পোস্ট এর ম্যাসেজটাইতো বোঝা গেলনা। আর প্রধানমন্ত্রীকে এ কাহিনী শোনানরই বা উদ্দেশ্যটা কী?

আরও কত সুন্দরতম মন্তব্য রহিয়াছে সেখানে।

বুঝিয়া লইলাম ভুলটা আমারই হইয়াছে, এই ভাবে চলিতে থাকিলে সেই ভদ্রলোক রাতের আঁধারে আমার টুঁটি চিপিয়া ধরিতেও দ্বিধা করিবে না । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চিনিতে যাইয়া খেই হারাইয়া গাম্বিয়া বা গিনিবিসাউ তে চলিয়া যাইবার সম্ভবনা রহিয়াছে ।

অতএব, আর নয়, গোপন রাখিবার তরিকা হাড়েহাড়ে টের পাইয়াছি । ক্ষম তব আমারে, হে ধরণী । সেই লায়ন হার্ট ভদ্রলোক, একটি স্বাধীন দেশের রূপকার, সেই জাতির পিতা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রাহমান ।