ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

দেশের রাজনীতি পুকুরের দুই রুই আর কাতলা আমাদের সুরঞ্জিত সেন দা আর ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। বেশ বিদেশ-বিভূই ঘুরে যখন কি না ব্যারিস্টার মওদুদ কেবল দেশে ফিরলেন, সবার অপেক্ষা শুরু হবে দুই বন্ধুর পাল্টাপাল্টি আক্রমন, তখনই কি না দাদা এমন ধরা খেলেন! অবশ্য দাদা যে ধরা পড়ে গেছেন সেটা বৃহস্পতিবার শেষ বিকেলে বললেন তাঁর রাজনৈতিক সুহৃদ ব্যারিস্টার মওদুদই। দাদা যখন রেলভবনে কেবল সংবাদ সম্মেলন শেষ করলেন, তখনই জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে শুরু করলেন ব্যারিস্টার মওদুদ। এরই মধ্যে একজন সিনিয়র সাংবাদিক দাদার সংবাদ সম্মেলনের ইতিবৃত্ত সংক্ষেপে জানিয়ে দিয়েছেন মওদুদ সাহেবকে।

অন্যান্য সময় ব্যারিস্টার সাহেব মোটামুটি দীর্ঘ বক্তব্য দিয়ে থাকেন। আজ কথা খুব কম হলো। প্রথমেই আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া… দেশে ফিরে গণমাধ্যমের সামনে প্রথম অনুষ্ঠানের দিনই এমন একটা টানটান ইস্যু! বেশ এরপরই তিনি বললেন…‍ বন্ধু সুরঞ্জিত নাকি ধরা খেয়ে গেছেন… এবার কী করবেন? বেশ খুব কম কথায় কিছু আলাপ করলেন মওদুদ সাহেব। শেষে বন্ধু হারানোর বেদনায় উহুউহু করে উঠতেও ভুললেন না।

সাংবাদিকদের কষ্টের কথা উল্লেখ করে সহানুভূতির সুরে বললেন, আগে তো আমার ইন্টারভিউ নিয়ে আমার বন্ধু সুরঞ্জিত বাবুর কাছে যেতেন সাংবাদিকেরা। এখন আমার বন্ধু তো চলে গেলেন, একজন প্লেয়ার আউট হয়ে গেলো। থাকলো আর একজন প্লেয়ার, অবশ্য তিনি সরকারে নেই, নামটা আমি আর নাই বলি…। ততক্ষণে অবশ্য উপস্থিতি তোফায়েল তোফায়েল বলে কানাঘুষা শুরু করেছেন।
বন্ধু হারানোর গল্পটা শেষ করেই বিদায় নিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ। বুঝলাম না এটা কি বন্ধুর প্রতি সহানুভূতি নাকি গর্তে পড়ে যাওয়া বন্ধুর উপরে মাটি চাপা দেয়ার কারিশমা দেখানো। নাকি পিএনপিসি… !!!

আজ বন্ধু হারানোর এই ছোট্ট গল্পটাই থাকুক। পিএনপিসি নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরের লেখায়।