ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

“ইনফেক্টেড ফিংগার কেটে ফেলাই উচিৎ”

হঠাৎ একটি খবরে চমকে উঠি এবং হতভম্ব হয়ে পড়ি। অনেকেই হয়ত অনুমান করতে পেরেছেন খবরটা কি ? গতকাল টিভি ওপেন করেই দেখি রেলমন্ত্রীর এপিএস এর টাকার থলে নিয়ে আটক হওয়ার খবর । বিভিন্ন অনলাইন নিউজে তো আছেই ।

যেমন__

টাকার থলে নিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা, এপিএস বরখাস্ত অভিযোগের তির সুরঞ্জিতের দিকে __ প্রথম আলো, তারিখঃ ১২/০৪/২০১২ _ অনলাইন

টাকার বস্তা যাচ্ছিল সুরঞ্জিতের বাসায় ! __ কালের কণ্ঠ, তারিখঃ ১২/০৪/২০১২ _ অনলাইন

আরও অনেক অনলাইন মিডিয়াতে খবরটি এসেছে।

এখানে কথা হল, যেহেতু টাকা নিয়ে এপিএস ধরা পড়েছে, সেহেতু ড্রাইভার কি বলল, এপিএস কি বলল এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কি বলল এ গুলি নিয়ে সময় ব্যয় না করে সরকারের উচিত একটি শক্তিশালী তদন্ত টিম গঠন করে দোষীকে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করা যাতে আর কেও সরকারকে এমন বিব্রত অবস্থায় না ফেলতে পারে।

আমি যত বারই সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাক্ষাৎকার দেখেছি মনে হয়েছে উনিই দোষী। তবে যাই হোক আইনই বলে দেবে কে দোষী।

এখানে আরও একটি বিষয় হচ্ছে, এপিএস ও ড্রাইভার কেন, কিভাবে এবং কোন কুচক্রী মহলের সহায়তায় এ ঘটনা ঘটাল ? কারণ একটি মহল তো সব সময় এই সরকার তথা আওয়ামীলীগ সরকারের ব্যর্থতা চায় এবং সব সময় একটা ইস্যু তৈরি করার চেষ্টা করে। কাজেই এ বিষয়টি ও বিবেচনা করে তদন্ত করা উচিত।
এ ঘটনার কারণে কিছু মহল খুশী হয়েছে, আমি তাদেরকে বলব আপনারা একটু চিন্তা করে দেখেন এই সরকার সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করেছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা, বর্তমান বাংলার কাণ্ডারী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করব, বিএনপি এ ঘটনাকে নিয়ে যেন কোন ইস্যু তৈরি করতে না পারে, কারণ বিএনপি সকল কিছুতে ব্যর্থ হয়ে এখন ইস্যু খুঁজছে ।

সুতরাং, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যদি সত্যিই এ কলঙ্ক জনক কাজের সাথে জরিত থাকে তাহলে আমি বলব এটি একটি দেহের (আওয়ামীলীগের) আঙ্গুলে ইনফেকশন হয়েছে মাত্র। অতএব বডিতে অ্যাটাক করার পূর্বেই ইনফেক্টেড ফিংগার কেটে ফেলাই উচিৎ নইলে কিন্তু বডি নিয়েই আমাদের টানাটানি লেগে যাবে। সেদিন আমাদের চোখের জল ই হবে একমাত্র ঠিকানা।

মোহাম্মাদ সহিদুল ইসলাম (সিঙ্গাপুর প্রবাসী )
(M.com _Management, N.U._BD._1998)
মেইল_ Sahidul_77@yahoo.com
H/P_6594670849