ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

null

তত্বাবধায়ক সরকার ও ইলিয়াস আলী ইস্যুতে ১৮ দলীয়জোট যে ভাবে একের পর এক হরতাল মিটিং মিছিল দিয়ে দেশের রাজনীতির পরিমণ্ডল কাঁপিয়ে তুলেছিল । তাতে দেশের সাধারণ মানুষ যাই ভাবুক না কেন বিএনপিসহ ১৮ দলের ঝিমিয়ে পরা অনেক নেতা-কর্মী আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল।

সরকারের দমন পীড়নে ১৮ জোট যতোটা না কোণ ঠাসা হয়ে পরেছে তার চাইতেও বেশি হতাশ হয়ে পরেছে বিএনপির নেতা কমীদের অভ্যন্তরীন কোন্দলে । প্রায় প্রতিটি ওর্য়াডে,জেলা,উপজেলায় বিএনপির নেতা কর্মীরা বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত হয়ে পরেছে । সরকারের সাড়ে তিন বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও বিরোধী দল তাদের সরকার বিরোধী আন্দোলন তেমন জোড়দার করতে পারেনি । উপরন্তু জোটের ৩৪ নেতা গ্রেফতারের পর বিএপির যেমনি নেতা শূন্য হয়ে পরেছে । তেমনি তাদের আন্দোলনও ঝিমিয়ে পরেছে । মির্জা ফকরুলসহ অন্যান্য নেতাদের গ্রেফতারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিএনপির বিভিন্ন নেতা কর্মীকে যখন ঢাকায় ডেকে আনা হয়েছিল । তখন বিএপির নতা কর্মীদের কাছে অভ্যন্তরীন কোন্দল অনেকটাই দূরে সরে গিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনই মুখ্য হয়ে উঠেছিল ।

কিন্তু খালেদা জিয়ার কাছ থেকে তেমন জোড়ালো কোন কর্মসূচী না আসায় মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সমাবেশস্থলেই হতাশা প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে । ১১জুনের সমাবেশ থেকে জোটের নেতাকর্মীরা দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার কাছে থেকে জোড়ালো কোন কর্মসূচী আশা করেছিল ।

গতকাল সমাবেশ স্থালে থেকে ফেরার সময় বিএনপি’র অনেক নেতাকর্মীকে হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় । ৪৮ নং ওয়ার্ডের এক যুবদলের এক নেতা তার হাতাশা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে কোন আন্দোলন করে কিছু আদায় করা যাবে না । ম্যাডামকে আরো কঠোর হতে হবে । জামিন হওয়ার পর ও আমাদের নেতাদের জেল থেকে মুক্তি মিলছে না । তবুও ম্যাডাম তেমন জোড়াল কর্মসূর্চী না দেওয়ার আমি সত্যিই হতাশ ।