ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

দুনীতির অভিযোগ এনে পদ্মা সেতু থেকে বিশ্বব্যাংক হাত গুটিয়ে নিয়েছে । বিশ্বব্যাংক যাদের বিরুদ্ধে দুনীতির অভিযোগ তুলে দ্বায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে বলেছিল “বাংলাদেশ সরকার সেটি করেনি ।” উপরন্ত প্রথম দিকে বিষয়টি আমলেই নেয়নি । তার উপরে অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের অন্যান্য মন্ত্রীদের দ্বায়িত্বহীন বক্তব্য বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের সর্ম্পক দা কুমড়ার পর্যায় নিয়ে গেছে । এক আবুল পুরো বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে দুনীতিবাজ হিসাবে দাঁড় করিয়ে দিলেও সরকারের তাতে টনক নড়েনি । কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আবুলদের বিরুদ্ধে ।

পানি আরো ঘোলা হলে দুনীতির তদন্ত্য দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক ) এর হাতে । কিন্তু দুদক এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে কোন দুনীতি খুঁজে পায়নি । কেননা তদন্ত চলছে । আশা করা যায় আরো দুইশত বছর তদন্ত চললেও দুদুক কোন প্রমাণ পাবে না । যেমন পাওয়া যায়নি দেবতা তুল্য সুরঞ্জিত সেনের বেলায় ।

বিশ্বব্যাংকে উল্টো দুনীতিগ্রস্ত বলে প্রমান করার জন্য উঠে পরে লেগেছে । আমাদের অযোগ্য মন্ত্রীরা । আমিও বিশ্বাস করি বিশ্ব ব্যাংক দুনীতিগ্রস্থ । কিন্তু তাতে বাংলাদেশের কি ? বাংলাদেশের সাথে কি বিশ্বব্যাংক কোন দুনীতি করেছে ? করেনি । বরং এদেশের অনেক উন্নয়নমুলক কাজ হয়েছে বিশ্বব্যাংকের হাত ধরে । ভবিষ্যতেও হবে । কিছু দুনীতিবাজ কে রক্ষা করার জন্য পুরো জাতির সম্নান নিয়ে খেলার অধিকার সরকারকে এদেশের মানুষ দেয়নি । দুনীতিবাজদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করুণ । তাদের সকল পদ থেকে সরিয়ে দিন । ছুটিতে পাঠান । এ রকম দু চার জন আবুল বাবুলের জন্য ১৬ কোনটি মানুষের সম্মান নিয়ে খেলার কোন অধিকার কারো নেই । প্রয়োজনে আন্তরজাতিক দদন্ত কমিশন গঠন করে দদন্ত করা হোক ।

দুস্ট শেয়ারবাজারের জনক অর্থমন্ত্রী একদিকে বিশ্ব ব্যাংকের ঘোষুনার হম্বিতম্বি করছেন আবার আলোচনার জন্য হাতে-পায়ে ধরছেন । যোগাযোগ মন্ত্রী তো বলেই ফেললেন – সবার জন্য চমক আছে । কি সেই চমক ! তা হলে কি ভারত পদ্মা সেতু তৈরি করবে ? কে বিশ্বব্যাংকের চেয় কম ইন্টারেস্টে সেতু নির্মাণ করবে দয়া করে তাদের তালিকা প্রকাশ করুণ ।

পরিশেষ : বিশ্বব্যাংক কিন্তু গ্রামীন ব্যাংক না যে, চাইলেই তা ইচ্ছে তা করবেন । বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মধ্যস্হা করার জন্য ড.ইউনুস এর চেয়ে কোন যোগ্য ব্যক্তি এই মুহুতে আছে বলে মনে হয় না । তাই তার সাহায্য নেয়া যেতে পারে । সরকারের দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিস্ঠ্য ব্যক্তিরা পদ্মা সেতু নিয়ে বুঝে শুনে কথাবার্তা বা মন্তব্য করা ভাল । কেননা দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিস্ঠ্য ব্যক্তিদের অবিবেচকের মতো মন্তব্য পুরো জাতির কপালে নতুন করে কালিমা লেপন করতে পারে ।
বিশ্বব্যাংক যে আচড়ন করেছে আমাদের উচিত যথায়থ তদন্ত করে সত্য প্রকাশ করা । আবুল বাবুলের চুরির দায়ভার সরকার কেন নেবে ? পুরো জাতিইবা তার জন্য কেন ভুগবে ।